জাকির চেয়ারম্যানের বক্তব্যে যুবলীগ নেতা এসটি আলমগীরের নিন্দা
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৮:২৮ পিএম
# চেয়ারম্যান হওয়ার পর নেতাদের ভূলে গেছেন
#জাকিরের সাথে জামাত বিএনপির লোকজন থাকে
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসটি আলমগীর সরকার বলেন, আমি শহীদ পরিবারের সন্তান। ১৯৭১ সনে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর গুলিতে আমার ভাই সাজেদ সরকার নিহত হন। তেতাল্লিশ বছর যাবৎ আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে ফলো করে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে যাচ্ছি।
আমার রাজনৈতিক গুরু হলেন নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের চার বারের সাংসদ প্রায়ত নাসিম ওসমান। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বেচে থেকে রাজনীতি করতে চাই। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। ১৯৯৮ সনের বন্যায় মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার এলাকার আলীরটেক সরকার বাড়ীতে ত্রান দিতে এসে ছিলেন। তখন আমি তার স্বরনাপন হয়ে দোয়া নেই।বৃহস্পতিবার দুপরে শহরের থানা পুকুরপাড় এলাকায় তার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ কথা বলেন
সম্প্রতি কিছু দিন আগে আলীরটেক ইউনিয়নের ব্রীজ প্রকল্প নিয়ে ওই খানের দুই গ্রামের মানুষের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মিমাংশা করার জন্য আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে ১২ ফেব্রæয়ারি শনিবার বিকেলে আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, তিনি নৌকা প্রতীক নেয়ার কারনে ভোট কম পেয়েছে। অন্য কেউ এই প্রতীক নিলে পাশই করতো না।
তিনি নৌকা নিয়ে ৯০ ভাগ ভোট পেয়েছে, কিন্তু অন্য মার্কা নিয়ে নির্বাচন করলে ৯৫ ভাগ ভোট পেতেন জাকির হোসেন। তার এই বক্তব্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। তার এই বক্তব্যের আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কেননা নৌকা হলো স্বাধীনতার প্রতীক, নৌকা আমাদের দলীয় প্রতীক। নৌকা এবং আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে যারা অশালিন বক্তব্য দিবে তার বিরুদ্ধেই আমি প্রতিবাদ করবো।
তিনি এই ব্ক্তব্য দিয়ে নৌকাকে অবজ্ঞা করেছে। আর এজন্য আমি আলীরটেক আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে শুক্রবার আলীরটেক আমান মার্কেটে প্রতিবাদ সভা করতে চেয়েছি, কিন্তু জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ হতে ব্যবস্থা গ্রহন করায় আমাদের এই প্রতিবাদ সভা স্থগিত করা হয়। সেই সাথে আমি তার এই বক্তব্যের প্রতি নিন্দা জানাই।
যুবলীগ নেতা এসটি আলমগীর সরকার জানান, এছাড়াও বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বারদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবুল এবং কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার প্রধানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাই। তাদের শাস্তির দাবী জানাই। তাদের বিরুদ্ধে যেন আমাদের নেত্রী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করেন আমি সেই দাবী জানাই। আলীরটেক ব্রীজ প্রকল্প নিয়ে মারা মারি করে আমাদের কয়েকজন নেতা আহত হয়েছে। আমি তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা করার প্রস্তুতি গ্রহন করি।
কিন্তু আমাদের চেয়ারম্যান ওসিকে ফোনে করে মামলা নিতে নিষেধ করেন। অথচ চেয়ারম্যান সাহেব নৌকার চেয়ারম্যান হলেও আমাদের আওয়ামীলীগের আহত নেতা কর্মীকে দেখতে আসেন নাই। তার সাথে রয়েছে জামাত বিএনপির লোকজন। আওায়মীলীগের নেতা কর্মীরা তার সাথে নেই। তিনি আওয়ামীলীগের কোন নেতা কর্মীদের খোজ খবর নেননা। আগামীতে নৌকা এবং বঙ্গবনন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সারা দেশে যে কেউ কটুক্তি করবে আমরা তার দাত ভাঙ্গা জবাব দিবো। প্রয়োজনে রাস্তায় আন্দোলন করবো।


