গার্মেন্টসকর্মীকে আটকে রেখে চাঁদা দাবি, ৯৯৯ এ ফোনে উদ্ধার
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৬:০০ পিএম
ফতুল্লায় গার্মেন্টসকর্মীকে আটকে রেখে চাঁদা দাবি করর একটি চাঁদাবাজ চক্র। ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে গার্মেন্টসকর্মীকে উদ্ধার ও চাদাঁবাজ চক্রটির মূল হোতা রাসেলকে (৩২) গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী গার্মেন্টসকর্মী সিফাতকে উদ্ধার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত রাসেল ওরফে কাপুড় রাসেল ফতুল্লা মডেল থানার দাপা ইদ্রাকপুরের পুরান ক্যালিক্স স্কুল গলির মৃত আতাউরের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গার্মেন্টসকর্মী সিফাত বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত রাসেলসহ পাঁচ জনের নাম উল্লেখ্য করে শনিবার ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। সিফতা ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুরস্থ শারজাহান রোলিং মিলস্ এলাকার আব্দুর রহমানের পুত্র।
সে সিদ্ধিরগঞ্জের মিতালী গার্মেন্টস নামক একটি পোশাক তৈরি কারখানার শ্রমিক বলে জানান। মামলার বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সে তার কর্মস্থল সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে অটোরিক্সায় করে শারজাহান রোলিং মিলস আসে।পরে পায়ে হেটে নিজ বাসায় যাবার পথে গ্রেফতারকৃত কাপুড় রাসেল, ডিব্বা রনি, তারেক, জসিম ও আরিফ তাকে ডাক দিয়ে তার সাথে কথা বলে।
এক পর্যায়ে কথা বলতে বলতে তাকে ডিব্বা, রনির দাদা মোতালেব সর্দারের মালিকানাধীন দ্বি-তলা বাড়ীর নীচতলার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে তার কাছে দশ হাজার টাকা দাবী করে। এ সময় অভিযুক্তরা তার সাথে থাকা মোবাইল ও সাড়ে ৪ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে তার থেকে ছোট ভাই ইব্রাহীমের মোবাইল ফোন নাম্বার নিয়ে ফোন করে দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে।
এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা টাকার তাকে মারধর করে। পরে তার ভাই টাকা নিয়ে শারজাহান রোলিং মিলস বাজারে এসে তার অবস্থান জানতে চেয়ে একাধিক বার ফোন করলেও অভিযুক্তরা অবস্থান না জানিয়ে ঘুরাতে থাকে। সারারাত তাকে খুজেঁ না পেয়ে সকালে তার ভাই ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চায়। পুলিশ শুক্রবার বেলা একটার দিকে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধারসহ রাসেলজে গ্রেফতার করে তবে বাকিরা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, গার্মেন্টসকর্মীকে আটকে চাদাঁ দাবী করার ঘটনায় মামলা হয়েছে।রাসেল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মামলার অপর আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।


