ডাকাতির ঘটনায় থানায় হল চুরির মামলা
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:৫০ পিএম
ফতুল্লার একটি বাসায় ডাকাতির ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও শেষ পর্যন্ত সেটিকে নিছক চুরির মামলা হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। আর এতে আপত্তি তুলে পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বরাবর অভিযোগ করেছেন ফতুল্লার মাসদাইর বাড়ৈভোগ এলাকার সামাদ হোসেনের স্ত্রী শারমিন আক্তার মিতা।
এসপি বরাবর দেয়া অভিযোগে মিতা উল্লেখ করেন, গত ১০/০২/২০২২ইং তারিখ রোজ রাত ৪ টায় আমাদের বাড়ীতে ডাকাতি সংঘটিত হয়। ৭জন ডাকাত ডাকাতি করার জন্য আসে এর মধ্যে একজন ধরা পড়ে। ডাকাতি করাকালিন সময় আমার শ্বশুর হাজী মোঃ আবুল হোসেনকে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে।
আমি ৯৯৯ ফোন করলে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ফতুল্লা থানা পুলিশ আসে এবং ধৃত আসামী হালিম মিয়া, পিতা-মৃত দুলাল মিয়াকে এবং উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ নিয়ে যায়। পরে এজাহার পাঠানো হয়। আমি শ্বশুরের চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থাকায় না পড়েই সই দেই, যা ফতুল্লা থানার মামলা নং-২৯(২)১২, ধারাঃ ৪৫৭/৩৮২/৫১১ দঃ বিঃ হিসেবে লিপি হয়।
শ্বশুরের চিকিৎসা শেষে এজাহারের কপি সংগ্রহ করে দেখি আমি যেভাবে বলেছিলাম সেভাবে ঘটনা লিপি হয় নাই। ফতুল্লা থানা পুলিশ ডাকাতির মোকদ্দমা রুজু না করে চুরির মোকদ্দমা হিসেবে রুজু করে। পলাতক আসামীদের নাম পরিচয় জানার জন্য ধৃত আসামীকে রিমাণ্ডেও নেয়নি এমনকি উদ্ধারকৃত আলামত সমূহের কোন সিজার লিষ্টও করা হয় নাই।
আমি আইনজীবী সাহেবের সাথে আলাপ করে গত ২৩/০২/২২ইং তারিখে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, নারায়ণগঞ্জে সি.আর মামলা নং-৪৮/২০২২, ধারাঃ ৩০৭/৩৯৫/৩৯৭/৩২৫/১১৪ দঃ বিঃ দায়ের করেছি।
উল্লেখিত বিষয়ে সিজার লিস্ট প্রস্তুত ক্রমে পলাতক আসামীদের নাম পরিচয় জানার জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীকে রিমাণ্ডে নিয়া ফতুল্লা থানা পুলিশ বা অন্য কোন সংস্থাকে তদন্ত করার কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণের আকুতি জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, এক আসামী এখন জেল হাজতে আছে।


