শিমরাইল মোড়ে ফুটপাতে দেলোয়ারের চাঁদাবাজি
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২২, ০৬:১৭ পিএম
সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ের সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ফুটপাতে দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন যাবৎ নিরবে চাঁদাবাজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক দুই কাউন্সিলর এবং এক প্রভাবশালী মার্কেট মালিকের প্রত্যক্ষ মদদে সিদ্ধিরগঞ্জ আটি হাউজিং ফকির বাড়ী এলাকার বাসিন্ধা এবং চিটাগাং রোডের হাজী নেকবর আলী মার্কেটের মালিক মরহুম হাজী আব্দুল মান্নানের বড় ছেলে দেলোয়ার বীরদর্পে এ চাঁদাবাজী চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে, চাঁদাবাজীর আধিপত্য ধরে রাখতে দেলোয়ার তাঁর আপন ছোট ভাই আনোয়ার হোসেনকে মাদক সেবী আখ্যা দিয়ে ফুটপাত দখলে নিয়ে যাচ্ছে এমন একটি অভিযোগ সাজিয়ে অপপ্রচার চালানোরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ের দক্ষিন পাশে সরকারী জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ফুটপাতে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে কাউন্সিলরের লোকসহ বিভিন্ন চাঁদাবাজরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে হাতে-নাতে ধরা খেয়েছেন।
অথচ নিরবে চাঁদাবাজী চালিয়ে যাচ্ছেন দেলোয়ার হোসেন। কাস্সাফ মার্কেটের সামনে থেকে নেকবর আলী মার্কেটের সামনে গড়ে উঠা ফুটপাতের শতাধিক দোকান থেকে দোকান প্রতি অগ্রীম বাবদ ১০ হাজার টাকা এবং প্রতিদিন দোকান প্রতি ২০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছে। ফুটপাত উচ্ছেদ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতারের ভয়ে অনেকে চাঁদাবাজী ছেড়ে দিলেও থেমে থাকেনি দেলোয়ারের চাঁদাবাজী।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে দেলোয়ারের শুভাকাঙ্খী দুই কাউন্সিলর পরাজিত হওয়ার পর থেকেই তার চাঁদাবাজীর আধিপত্য ধরে রাখতে কৌশলে সে তাঁর আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে। এ ব্যাপারে দেলোয়ারের ছোটভাই আনোয়ার জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমার বড়ভাই দেলোয়ার হোসেন ফুটপাতে চাঁদাবাজি করে আসছে।
চাঁদাবাজীর সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। আমার ভাই তাঁর চাঁদাবাজি অব্যাহত রাখতে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন জানায়, আমি এসবের মধ্যে নেই। আমি এগুলো ছেড়ে দিয়েছি।


