ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৮ ডাকাত আটক
সোনারগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২২, ০৬:২৪ পিএম
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ও পিরোজপুর এলাকায় গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৃথক ভাবে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্যকে আটক করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। আটককৃত ডাকাত সদস্যরা হল মনিরুল ইসলাম মুন্না (২৫) হাবিবুর রহমান হাবিব (২৫) মো. সোহেল (২২) মো. আক্তার হোসেন (১৯) প্রদীপ (২৩) সুজন (২৬) নুরুল হক (২৬) ও আলী আজগর (৩০)।
এসময় ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মুখোশ, দেশীয় অস্ত্র রামদা, সুইস গিয়ার চাকু, ছোরা, লোহার রড, হাতুড়ি, টর্চ লাইট, গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও আটটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।
ডাকাত সদস্য মনিরুল ইসলাম মুন্না সোনারগাঁ উপজেলার নগর কাঁচপুর এলাকার মৃত কিতাব আলীর ছেলে, হাবিবুর রহমান হাবিব উপজেলার কাঁচপুর খালপাড় এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে, মোঃ সোহেল চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে, মোঃ আক্তার হোসেন কাঁচপুর বিশিক এলাকার শহিদ মিয়ার ছেলে, প্রদীপ কাঁচপুর সেনপাড়া এলাকার রাম প্রসাদ ভুট্টুর ছেলে
সুজন সোনারগাঁ উপজেলার ইসলামপুর এলাকার মৃত গোলজার হোসেনের ছেলে, নূরুল হক উপজেলার আষাঢ়িয়ারচর এলাকার মৃত আঃ ফয়জলের ছেলে ও আলী আজগর উপজেলার ইসলামপুর এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে। সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম ও মাসুদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৃথক ভাবে অভিযান চালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ও পিরোজপুর এলাকায় মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৮ ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়।
এসময় ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মুখোশ, দেশীয় অস্ত্র রামদা, সুইস গিয়ার চাকু, ছোরা, লোহার রড, হাতুড়ি, টর্চ লাইট, গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও আটটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। ডাকাত সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কে ডাকাতির কাজে জড়িত।
তাদের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে। সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮ জন ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে।
আটককৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। ডাকাত প্রতিরোধে মহাসড়কে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।


