বন্দরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় মহিলাসহ ৩ জন রক্তাক্ত জখম হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতরা হলো খোরশেদ আলম (৫৫) ও তার স্ত্রী আসমা বেগম (৪০) ও ছোট ভাই রিপন (৪৮)। স্থানীয় এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে। গত ৬ মার্চ রোববার বিকেলে বন্দর থানার ২১ নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা সরদার বাড়ী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার সোনাকান্দা সরদার বাড়ী এলাকার মৃত শফিউল্ল্যাহ মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলমের সাথে একই এলাকার মৃত সামছুল হক কম্পাউন্ডারের ছেলে বাতেন ও তার দুই ভাই বাশার ও মোঃ হোসেনের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে পূর্ব শত্রুতা চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত ৬ মার্চ রোববার বিকেলে উল্লেখিত এলাকার মৃত শফিউল্ল্যাহ মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলম বাড়ি পাশে দরজা মেরামত করার সময় প্রতিপক্ষ বাতেন মিয়া ও তার দুই ভাই বাশার ও
মোঃ হোসেন, ছেলে আরমান, ভাতিজা আতিক ও সাঈদসহ ১৪/১৫ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে খোরশেদ আলমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ওই সময় খোরশেদের চিৎকারের শব্দ পেয়ে তার স্ত্রী আসমা বেগম ও ছোট ভাই রিপন বাঁচাতে এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা তাদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে নিলাফুলা জখম করে পালিয়ে যায়।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টায় উল্লেখিত প্রতিপক্ষরা বাড়ী দেয়াল ভাংচুর করে ৬০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় তৎ সময়ে আহতের ছোট ভাই অর্পন বাদী হয়ে বাতেনসহ উল্লেখিত প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় জিডি এন্ট্রি করেন। যার জিডি নং-৫১১ তাং- ১২-২-২২ইং। এ ব্যাপারে আহত খোরশেদ মিয়া গনমাধ্যমকে জানান,
বাতেন গংদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে আমিসহ আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভ’গছি। তারা একের পর এক আমাদের উপর হামলা করে যাচ্ছে। আমিও আমার পরিবারের নিরাপত্তা স্বার্থে আমি বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ দীপক চন্দ্র সাহার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


