গোদনাইলে পুকুর, উদ্যান ও খেলার মাঠ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২২, ০৭:০২ পিএম
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের গোদনাইল এলাকায় অবস্থিত চিত্তরঞ্জন কটন মিলসের ভেতরে থাকা উদ্যান, খেলার মাঠ ও পুকুরগুলো সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এগুলো ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনকে (বিটিএমসি) যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ওই কটন মিলসের ভেতরে উদ্যান, খেলার মাঠ ও পুকুরগুলো ভরাট করে টেক্সটাইলপল্লি স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বানের কার্যক্রম অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
৯ বছর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) রিটটি করে। আদালতে বেলার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বিটিএমসি ও চিত্তরঞ্জন কটন মিলের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. বদরুদ্দোজা শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওয়ায়েস আল হারুনী।বেলা জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের গোদানাইলে ৩৩ দশমিক ২৩ একর এলাকাজুড়ে চিত্তরঞ্জন কটন মিলস অবস্থিত।
এটি বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন। চিত্তরঞ্জন কটন মিলস কর্তৃপক্ষ সেখানে থাকা উদ্যান, খেলার মাঠ ও ৭ একর আয়তনবিশিষ্ট ৩টি পুকুর ভরাট করে টেক্সটাইলপল্লি স্থাপনের জন্য ২২টি বিভিন্ন আকারের প্লট বিক্রির উদ্যোগ নেয়। উদ্যান, খেলার মাঠ ও পুকুর ভরাটের জন্য চিত্তরঞ্জন কটন মিলস কর্তৃপক্ষ ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপত্রও আহ্বান করে।
এ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বেলার কাছে আইনি সহায়তা চায়। এরপর আইনবর্হিভূত ওই দরপত্র আহ্বানের বৈধতা নিয়ে ২০২৩ সালে রিটটি করে বেলা। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৩ সালের ৩ জুন হাইকোর্ট রুল দেন। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার এ রায় দেওয়া হলো।


