ফতুল্লায় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২২, ০৭:০৫ পিএম
ফতুল্লায় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম সদস্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে ফোরামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একটি মহলের বিরুদ্ধে। শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু নামে এক ব্যক্তি অপপ্রচারকারী মহলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাচ্চু নামে ওই ব্যক্তি ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকার বাসিন্দা।
সম্প্রতি ফতুল্লা থানায় ২৪ সদস্যের একটি কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম। সেই কমিটির একজন সদস্য তৈরি পোশাক কারখানার ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম জনি। গত কয়েকদিন যাবত কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামকে জড়িয়ে জাহিদুল ইসলাম জনির বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু।
এই প্রক্রিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন তিনি। জাহিদুল ইসলাম জনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, দু’বছর আগে এতিম শিশুদের একটি কারখানা প্রতারণার মাধ্যমে দখলের চেষ্টা করেছিল শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু ও তার পরিবারের সদস্যরা। সেই সময় রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। চক্রটিকে প্রতিরোধ করেছিলাম বেশ জোরালোভাবে।
এতেই স্ত্রীসহ কারাবাসে থাকতে হয়েছে চক্রের মূলহোতাকে। দীর্ঘ দু’বছর পর কারাগার থেকে ফিরে এখন আমার বিরুদ্ধে উল্টো চাঁদাবাজির অভিযোগ করছেন। এটি নিজের অপরাধ ঢাকতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তিনি। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। ৪ সন্তানের জননী হাসনাত জাহান রুনা সম্প্রতি জানান, বাচ্চু চেক জালিয়াতিসহ প্রতারণার ১০টি মামলার আসামি।
সে আমার স্বামী মজিবুর রহমান সোহেলের কাছ থেকে বিভিন্ন শর্তে একটি কারখানা ভাড়া নেন। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে চুক্তিপত্র ফিরিয়ে দেওয়া কথা বলে। সে ফিরিয়ে না দিয়ে উল্টো জমি দখল ছাড়বে না বললে জানায় আমার স্বামীকে। এ ঘটনার দু’দিন পরেই স্ট্রোক করে আমার স্বামী মারা যান। পরে সেই কারখানার ভাড়া না দিয়ে দখলে রাখার চেষ্টা করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘আমরা যাদের কমিউনিটি পুলিশিং কমিটিতে নিয়েছি, তাদের সকলকে যাচাই-বাছাই করেই নিয়েছি। প্রয়োজনে আরও যাচাই, বাছাই হবে। যে কেউ তাদের মনের ভাবনা প্রকাশ করতেই পারে। তবে কেউ যদি অপপ্রচার করে, তাহলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবো।’


