ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২২, ০৮:২৯ পিএম
ফতুল্লায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আরিফুল ইসলাম জনি (৩৫) নামের এক স্কুল শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ মার্চ) সকালে তাকে ফতুল্লার ইসদাইর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জনি রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার সারদা চারঘাট মিয়াপুরের মোঃ দুলাল হোসেনের ছেলে ও ফতুল্লা থানার ইসদাইর গাবতলীর রুহুল আমিন মিয়ার ভাড়াটিয়া। ফতুল্লার সস্তাপুর কমর আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক।
সপ্তাপুর এলাকার জামালের ৫ম তলা বিল্ডিং এর ২য় তলার একটি ফ্ল্যাটে আরিফ কেয়ার সেন্টার নামের একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে তার। যা সে নিজেই পরিচালনা করে আসছে।
ভূক্তভোগী ছাত্রীটির অভিযোগ, গ্রেফতারকৃতের কোচিং সেন্টারে সে কোচিং ক্লাস করার সময়ে তাকে প্রায় কু-প্রস্তাব দিতো। বিগত সাত মাস পূর্বে গ্রেফতরকৃতের স্ত্রীকে সে বিষয়টি অবগত করলে সে তার কথা আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে দোষারোপ করে। ফলে সে কোচিং সেন্টারে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। গত ১৪/১৫ দিন পূর্বে স্কুলের ভিতর গ্রেফতারকৃত আরিফুল তাকে বলে যে যদি সে পুনরায় তার কোচিং সেন্টারে কোচিং না করে তাহলে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করবেনা।
তাছাড়া অতীতের মতো আচরন ও সে আর করবেনা। তার কথার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে সে আবার কোচিংয়ে যাতায়াত শুরু করে। প্রতিদিনের মতো সে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) দুপুর তিনটার দিকে কোচিং সেন্টারে যায়।
বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কোচিং সেন্টারের ক্লাস ছুটি হলে কোচিংয়ের সকল কে ছুটি দিলেও তাকে কথা আছে বলে থাকতে বলে। সকলে চলে গেলে দরজা বন্ধ করে দিয়ে আরিফুল ইসলাম জনি তাকে জড়িয়ে ধরে তার স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে হাত বুলায়। এ সময় সে ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে দরজা খুলে কৌশলে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ইনচার্জ রকিবুজ্জামান জানান, শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে ছাত্রীটি মামলা করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক কে গ্রেফতার করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


