Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

বন্দরে ইটভাটার সভাপতির বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

Icon

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২২, ০৭:৩৭ পিএম

বন্দরে ইটভাটার সভাপতির বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
Swapno

বন্দরে মুসাপুর ইউনিয়নের বারপাড়া, শাসনের বাগ ও ফনকুল এলাকার ইটভাটার মালিক সমিতির সভাপতি হাজী রহিম বাদশা (৪৫)’র বিরুদ্ধে সাজানো মামলার অভিযোগ এনে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে এগারটায় বারপাড়া এলাকায় রহিমের পরিবার ও এলাকাবাসির উদ্যেগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। রহিম বাদশা একই এলাকার মৃত মো. আম্বিয়া উরফে আম্বি মেম্বারের ছেলে।

 

মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসি দাবি করেন ইটভাটার ৫০ শতাংশ শেয়ারের মালিক এই বড় রহিম। তার নামে কাগজপত্র সব কিছু করা আছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নাম রটিয়ে হয়রানির মাধ্যমে তাকে এলাকা ছাড়া করে ইট ভাটার দখল নিতে চাচ্ছে অন্যান্য অংশীদাররা। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, রহিম বাদশার মা আলিমুন নেসা, নাসিমা আক্তার, ছলু মিয়া, মোসা. লিপি আক্তারসহ এলাকাবাসি।

 

মানববন্ধনে রহিম বাদশার স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীর নামে মিথ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারা মিথ্যে মামলা করে আমার স্বামীর কাছ থেকে ইটভাটা দখল করতে চাইছে। সে বাড়িতে না থাকার সুযোগে মাল (ইট) বিক্রি করে ফেলছে। দেখার বা জিজ্ঞেস করার কেউ নেই। এ ঘটনার জন্য তার স্বামী বড় রহিমের ইটভাটার অংশীদার ছোট রহিমকে দায়ী করে তিনি বলেন, আমার স্বামী বিসমিল্লাহ নামক ইট ভাটার ৫০ পার্সেন্ট অংশিদার আমার।

 

ছোট রহিম ও অন্যান্য অংশীদাররা মিলে এখন সেটা দখল করার জন্য এই নাটক সাজিয়েছে। স্থানীয় পঞ্চয়েতের কোষাধ্যক্ষ এবং মসজিদের দাতা আলম প্রধান বলেন, ছোট রহিমের সাথে এই বিষয় নিয়ে এক বছর আগে চেয়ারম্যান অফিসে (মুসাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাকসুদ) বসা হয়েছিল। সেখানে একটি সমাধানও করে দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয় জানতে চাইলে ছোট রহিম স্বীকার করেন যে, বড় রহিম ইটভাটার ৪০ শতাংশের অংশীদার। তিনি আরও জানান, রহিম বাদশার সাথে তিনি যে কয়েক বছর যাবত আছেন তার বিরুদ্ধে নারী ঘটিত অভিযোগ করার মতো এমন কোন কিছু তাদের চোখে পড়েনি। তবে তার নিজের বিরুদ্ধে যে মিথ্যে নাটক সাজানোর অভিযোগ করা হয়েছে সেই বিষয়ে তিনি বলেন আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না।

 

তবে এলাকা থেকে শুনেছি তারা আমাকে দোষী সাব্যস্ত করতেছে। এর আগে গত ১৫ মার্চ রাতে ১৮ বছরের এক তরুনী তার বিরুদ্ধে ইচ্ছার বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, চুরি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ৯(৩) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ তৎসহ ৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০ ধারায় এজাহার দাখিল করেন।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন