আড়াইহাজারে স্বামী-স্ত্রীর বাধার মুখে কোয়াটার শ্রমিক শুন্য
আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২২, ০৫:২৮ পিএম
আড়াইহাজারে স্বামী-¯ত্রীর বাধা এবং অত্যাচার নির্যাতনের মুখে একটি স্পিনিং মিলের মহিলা শ্রমিক থাকার কোয়াটার শুন্য হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে ওই মিলের উৎপাদন ব্যহত হওয়ার কারনে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে লাখ, লাখ টাকা। জানাযায়, উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের উজান গোবিন্দী গ্রামের মৃত ইসমাইল এবং তার স্ত্রী ,সন্তান সহ সকল অংশীদারদের কাছ থেকে ওই গ্রামের আ. হক মিয়া এবং তার স্ত্রী লুৎফুর নাহার ত্রিশ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন।
সে জায়গায় একই এলাকায় গড়ে উঠা আঃ হক মিয়ার মালিকানাধীন ছাবেদ আলী স্পিনিং মিলের প্রায় একশত মহিলা শ্রমিক থাকার জন্য ২০১৬ সালে একটি টিনসেট কোয়াটার নির্মাণ করেন। কোয়াটার তৈরীর পর থেকেই উজান গোবিন্দী গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিন মোল্লার ছেলে ইব্রাহীম এবং তার স্ত্রী রুপা আক্তার শ্রমিকদের ভয়,ভীতি সহ বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন শুরু করার ফলে ওই কোয়াটারটি এখন শ্রমিক শুন্য হয়ে পরেছে।
স্বামী-স্ত্রীর নির্যাতনে কোয়াটারে শ্রমিকরা থাকতে না পারায় ব্যপক ভাবে কমে গেছে মিলের উৎপাদন। ছাবেদ আলী স্পিনিং মিলের লেবার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, আমি উক্ত মিলে লেবার ইনচার্জ হিসেবে ১০/১২ বছর যাবত চাকুরি করি। ২০১৫ সালে ইব্রহীমের বড় ভাই ইসমাইল এবং তার মৃত্যুর পর স্ত্রী-সন্তান সহ সকল অলি ওয়ারিশ গনের কাছ থেকে জায়গাটি কিনে মিলের মালিক এখানে মহিলা শ্রমিক থাকার জন্য একটি কোয়াটার তৈরী করেন।
এর পর থেকেই বখাটে ইব্রাহীম এবং তার স্ত্রী রুপা ক্ষীপ্ত হয়ে কোয়াটারে থাকা শ্রমিকদের ভয়, ভীতি সহ নানা অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেন। তাদের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কোয়াটারাটি এখন শ্রমিক শুন্য হয়ে পরেছে।
ফলে আমাদের মিলের উৎপাদন কমে যাওয়ায় মালিক পরেছেন বিপাকে। মিল মালিক আঃ হক মিয়া জানান, আমার কোয়াটারে যাতে শ্রমিক থাকতে পারে ইব্রাহীম এবং তার স্ত্রীর নির্যাতন থেকে যাতে আমার শ্রমিক রক্ষা পায় তার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশুদৃষ্টি কামনা করছি। এ ব্যপারে ইব্রহীমের মোবাইলে বার বার ফোন করলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।


