Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

তাঁতবাজারে রোজার শুরুতেই দুধের দাম দ্বিগুণ

Icon

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২২, ০৫:৫৬ পিএম

তাঁতবাজারে রোজার শুরুতেই দুধের দাম দ্বিগুণ
Swapno

রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল তাঁতবাজারে হঠাৎ করেই গরুর দুধের দাম বেড়ে গিয়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। পবিত্র মাহে রমজানকে পুঁজি করে অসাধু সিন্ডিকেট  ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তাদের ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছেন। পবিত্র রমজানের দিনগুলোতে ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবারই মন চায় ভালো কিছু খেতে। সাধ্য অনুযায়ী গরুর মাংস, মুরগি, দুধ, ডিম, ভালো প্রজাতির মাছ কেনার চেষ্টা থাকে সবার।

 

কিন্তু রোজার শুরুতেই আগুন লেগেছে গরুর দুধের বাজারে। রোজা শুরুর দিনেই গরুর দুধের দাম কোথাও কোথাও বেড়েছে দ্বিগুণ। রোজার আগের দিনও যে দুধের দাম ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা লিটার। উপজেলার গোলাকান্দাইল তাঁত বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৬০ টাকার দুধ, ১শ’ থেকে ১শ’ ২০টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দেখা গেছে  দুধের বাজারে হরেক রকমের চিত্র।

 

তাঁত বাজারের খুচরা ও পাইকারি দুধের বাজার একটি সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। গুয়ালিদের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দুধ ব্যবসায়ীর দুধ ওই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করতে বাধ্য। ওই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা খুচরা বিক্রেতার নিকট হতে অল্প দামে ক্রয় করে খুচরা ক্রেতার নিকট ইচ্ছামত বেশি দামে বিক্রি করে চলেছে।

 

আগে খুচরা বিক্রেতারা বাজারে বসে দুধ বিক্রি করতে পারতো। আর এখন তাদের সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীর নিকটে বিক্রি করতে হয়। বিভিন্ন গ্রাম থেকে বিক্রি করতে আসা দুধ বিক্রেতারা নাম  প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,আমরা তাঁত বাজারে দুধ বিক্রি করতে নিয়ে আসলে বাধ্যতামূলক সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীর কাছে অল্প দামে বিক্রি করতে হয়। আর তারা ইচ্ছেমত দুধের দাম দিয়ে থাকে।

 

দুধের বাজারে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন ভূলতা ইউনিয়নের ছোনাব এলাকার মতিউর রহমান, ভূলতা ইউনিয়নের পাড়াগাঁও এলাকার সুরুজ মিয়া, গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকার আজিজুল ইসলামসহ আরও অনেকে। গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের আধুরীয়া এলাকা থেকে দুধ বিক্রি করতে আসা খুচরা বিক্রেতা নজরুল ইসলাম জানান, আগে নিজেরাই বিক্রি করতে পারতাম আর এখন তাদের কাছে অল্প মূল্যে দুধ বিক্রি করতে বাধ্য হয়ে থাকে।

 

তারা আমাদের কাছ থেকে ৬০/৭০ টাকা কেজি দরে দুধ কিনে ৯০/১০০/১২০ টাকা কেজি দরে দুধ বিক্রি করে থাকে। আবার বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আরও বেশি দরে বিক্রি করেন। যেমন এখন রমজান মাস তাই এতো বেশি দামে দুধ বিক্রি করতেছে তারা।

 

সত্যি কথা কি এ বাজারে প্রশাসনের কোনো মনিটরিং নেই। তাই যে যেভাবে পারে সে দামেই বিক্রি করছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শাহ্ নুসরাত জাহান বলেন, “রমজান মাসে যাতে অসাধু কোন ব্যাবসায়িক চক্র সাধারণ জনগণের কাছে অধিক মুনাফার জন্য মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে সে জন্য আমাদের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজারকে মনিটরিং এর আওতায় রাখা হয়েছে।”

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন