আড়াইহাজার থানার পাঁচগাঁও গ্রামে আদালত অবমাননা করে সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। জিডির বিবরণ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ১৯২৭ সনে আদালতে সম্পাদিত বণ্টন নামার ভিত্তিতে নিজ রেকর্ডীয় মালিকানাধীন সম্পটিতে সহিদুল ইসলাম পিতা মৃত মােস্তফা মােল্লা শান্তিপূর্ণ ভাবে বাড়িঘর করে দীর্ঘ প্রায় ১০০ বছর যাবত পুরুষানুক্রমে বসবাস করে আসছেন।
সহিদুল ইসলামের এই সম্পদের উপর হয়রানি মূলকভাবে আড়াইহাজার থানায় দেওয়ানী ৪৪৭/২১ নং . মােকদ্দমা দায়ের করে পার্শ্ববর্তি জাকির হােসেন গং। উক্ত মামলার বিবাদী পক্ষ সহিদুল ইসলাম গং আদালতের প্রতি শ্রদ্বা পােষণ করে আসলেও বাদী পক্ষ জাকির হােসেন গং হয়রানিমূলকভাবে মামলা দায়ের করেই শান্ত হননি,
মাননীয় আদালতকে উপেক্ষা করে সহিদুল ইসলামের বাড়ির দীর্ঘ প্রায় ১০০ ফুট পাকা দেয়াল ভেংগে ভিতরে প্রবেশ করে এবং সহিদুল ইসলামের বসত ঘরের সামনে বেড়া দিয়ে অসহায় পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে ফেলে জাকির হােসেন গং।
নিজেই মামলা করে আবার আদালতকে অশ্রদ্বা করে তার চাচাতাে ভাইবােন সহ প্রায় ২০-২৫ জন মিলে সন্ত্রাসী কায়দায় পেশীশক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এই ভীতিকর অবস্থায় অসহায় পরিবারটি ৯৯৯ নাম্বারে কল করলে আড়াইহাজার থানা পুলিশ সহযােগিতায় এগিয়ে আসেন। পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ হস্তক্ষেপ করে অবরুদ্ধ পরিবারটিকে মুক্ত করে।
সামাজিক ও স্থানীয় প্রতিনিধি সহ আইন আদালত উপেক্ষা করে এভাবে মানুষের উপর পেশীশক্তির অন্যায় হামলা চলতে থাকলে সামাজিক শান্তি অচিরেই বিঘ্নিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী পরিবারটি জানিয়েছে, এই সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন তারা।


