সিদ্ধিরগঞ্জে থানা বিএনপির সম্মেলন পন্ড অবধারিত ছিল
পরিচয় প্রকাশ গুপ্ত
প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২২, ০৬:১১ পিএম
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি সম্মেলনকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার গ্র্যান্ড তাজ হোটেলে দু’পক্ষে সংঘর্ষ ও মারামারি অবধারিত ছিল। কারণ, দীর্ঘ ১৩ বছর পর সম্মেলন হবে,অথচ, দলের পুরনো ও ত্যাগী কর্মীদের তা জানানো হবে না। উল্টো ঘোষণা দেয়া হবে, গিয়াসউদ্দিন (সাবেক এমপি) সমর্থক কাউকে এ কমিটিতে স্থান দেয়া হবে না। তাহলে, গিয়াসউদ্দিন সমর্থকরা কি করবে?
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর আগে চুপিসারে ৯টি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করেছেন। সে সময়ও গিয়াসউদ্দিন সমর্থক নেতাকর্মীদের জানানো হয়নি। অথচ, ইতিপূর্বে সোনারগাঁ ও আড়াইহাজার থানা বিএনপি সম্মেলন হয়েছে প্রকাশ্যে।
জেলা কমিটি গঠনের পূর্ব শর্ত হিসেবে থানা কমিটিগুলো গঠন করা হচ্ছিল। এদিকে গিয়াসউদ্দিন সমর্থকরা যখন জানতে পারে তাদেরকে না জানিয়ে এবং বাদ দিয়ে ১৫ এপ্রিল গ্র্যান্ড তাজ হোটেলে একটি গোপন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে আগে থেকেই ঠিক করে রাখা একটি কমিটি ঘোষণা দেয়া হবে।
তখন তারা ঠিক করে লুকোচুরির এ সমেমেলন অনুষ্ঠানে তারা বাধা দেবে এবং কেন্দ্র থেকে যেসব নেতা এ সম্মেলনে আসবেন তাদের কাছে জানতে চাইবে কেন তাদেরকে এ সম্মেলনের কথা জানানো হয়নি এবং কেন তাদেরকে এ সম্মেলনে কাউন্সিলর করা হয়নি।
এ জন্য তারা সকাল থেকেই সম্মেলনস্থলের আশেপাশে দল বেঁধে বসেছিল এবং সকাল সাড়ে ৯টায় মামুন মাহমুদ সমর্থক থানা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের নেতৃত্বে একটি মিছিল আসা মাত্রই তারা মিছিলকারীদের উপর চড়াও হয় এবং দুপক্ষে মারামারির ফলশ্রুতিতে সম্মেলন পন্ড হয়ে যায়। গিয়াসউদ্দিন সমর্থকেরাও এটাই চেয়েছিল।


