Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

রূপগঞ্জে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী কাজল গ্রেপ্তার

Icon

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২২, ০৭:৩৯ পিএম

রূপগঞ্জে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী কাজল গ্রেপ্তার
Swapno

রূপগঞ্জে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও জোর করে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দেড় বছর গণধর্ষণ করে আসছিল কাজল গাজীসহ তার সহযোগীরা। টানা দেড় বছর ধর্ষণের পর কিশোরীর গর্ভে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কন্যার পিতৃ পরিচয় না পেয়ে কিশোরী বাদী হয়ে নারী ও শিশু ট্রাইবুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেন।

 

বুধবার সকালে গোলাকান্দাইল ৫ নং ক্যানাল এলাকা থেকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী কাজল গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত কাজল গাজী উপজেলার গোলাকান্দাইল ৫ নং ক্যানালপাড় মৃত নাসির গাজীর ছেলে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ।

 

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি বেলা ১১ টার দিকে কাজল গাজী, ইমন আকন (২৫), পিতা জালাল উদ্দিন, রনি ওরফে সিএনজি চালক রনি, লিয়াকত আলী, সূজন মিলে ওই কিশোরী রুমা বেগম নামে এক নারীর ঘরে নিয়ে জোর পূর্বক গণধর্ষণ করে। এর পর থেকেই কিশোরীকে ভয় ভীতি দেখিয়ে গত দেড় বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছিল কাজল গাজী ও তার সহযোগীরা।

 

গত ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর ওই কিশোরী ঘরে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সন্তানের পর থেকেই ওই কিশোরীসহ তার পরিবারের লোকজন এলাকায় বসবাস করা নিয়ে বিড়ম্বনা পড়তে হচ্ছিল। মামলার আসামীরা বেশকয়েকবার সন্তানটিকে হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই কিশোরী কাজল গাজীসহ তাদের তার সন্তানের পিতৃ পরিচয় দেওয়ার কথা বললে তারা উল্টো তাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করে।

 

পরে ওই কিশোরী কোন উপায় না পেয়ে ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনালের মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই কাজল গাজীসহ তার সহযোগীরা পলাতক ছিল। বুধবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাজল গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, কাজল গাজীর যন্ত্রনায় গোলাকান্দাইল ৫ নং ক্যানালের মানুষ অতিষ্ট পড়েছিল। সে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, গণধর্ষণ মামলার আসামী কাজল গাজীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন