গোগনগর ইউনিয়ন আ’লীগে ফজর আলীর থাবা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২২, ০২:২৮ পিএম
# তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তৃণমূলের
# থানায় লিখিত অভিযোগ
সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল স্থগিত হওয়ায় তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে পুরো গোগনগর ইউনিয়ন জুড়ে। ইফতার মাহফিল ও স্মরণসভা স্থগিত করার পিছনের মূল হোতা গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান মো. ফজর আলী। এ নিয়ে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফায়েল আহমেদ অডিটোরিয়াম অসম্পূর্ণ হওয়ায় স্কুল মাঠে ইফতার মাহফিল ও স্মরণসভা করার অনুমতি প্রদান করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির আহবায়ক ও গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজর আলীর নির্দেশে তার পালিত ক্যাডার নাজির হোসেন ফকির,
রফিক মেম্বার ও আনোয়ার হোসেন ফকির গংরা প্যান্ডেল নির্মাণ করতে বাধা প্রদান করে এবং খুঁটি উপড়ে ফেলে।এ বিষয়ে গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক এবিএম আজহারুল ইসলাম নাজির হোসেন ফকির, রফিক মেম্বার ও আনোয়ার হোসেন ফকিরের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়াও গত বুধবার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অপরদিকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল ও স্মরণসভা স্থগিত হওয়ায় পিছনের মূলহোতা ফজর আলীকে নিয়ে সর্বত্র আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৫নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালিব বলেন, ফজর আলীর উচিত হয়নি বাধা দেয়ার। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আলী মিয়া সরকার বলেন,এটা আমাদের জন্য লজ্জার বিষয়। দল ক্ষমতায় থাকতেই ইফতার মাহফিল ও স্মরণসভা করতে পারলামনা।
গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবিএম আজহারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফজর আলীর নির্দেশে তার পালিত ক্যাডার নাজির, রফিক মেম্বার গং বাধা দিতে সাহস পেয়েছে। গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ মাষ্টার বলেন, আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। শুধু প্যান্ডেল বাকি ছিল।
আমরা অনুমতি নিয়ে স্কুলে প্যান্ডেল করতে যাই। ফজর আলীর নির্দেশে বাধা প্রদান করায় ইফতার মাহফিল ও স্মরণসভা স্থগিত করা হয়েছে। আমরা ফজর আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে জোর দাবী জানাই।


