ফতুল্লায় সোর্স জাফরের খুঁটির জোর কোথায়
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২২, ০৭:৫২ পিএম
পাগলায় ভাঙ্গারী দোকানের অন্তরালে সীমাহীন অপকর্মের মূল হোতা কথিত পুলিশ সোর্স জাফরের খুটির জোর কোথায়। শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক যুগের চিন্তায় বিভিন্ন শিরোনামে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরেও কিভাবে হরহামেশাই অপরাধ করে বেড়ায় এমনি প্রশ্ন এখন জনমনে। সোর্স জাফর ও তার সহযোগীদের অতিদ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন অত্র এলাকার সচেতন মহল।
পাগলা মেরী এন্ডারসনের সামনে ও তালতলা এলাকা থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয় চুরি, ডাকাতি। আর এইসবের মূল হোতা হচ্ছেন কথিত পুলিশ সোর্স জাফর। তার সহযোগী হিসেবে জড়িত রয়েছে, আয়েত আলী, কাল্লু ওরফে ভোলাইয়া কাল্লু, জাফরের মেয়ের জামাই লিমন, ডাকাত হাবিবউল্লাহ, কথিত পুলিশ সোর্স আক্কাস, জুয়াড়ি মাসুম ওরফে কানা মাসুম, চোর ভাগা, চোর সজিব।
তালতলা এলাকায় রয়েছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মীর হোসেন মীরু, তার বড় ভাই চোরাই সিমেন্ট ব্যবসায়ী আলমগীর, জুয়াড়ি নজরুল, সুমন, আলী, তুতলা জাহাঙ্গীর, আমজাদ, কালু, হাবুসহ আরো ১০ থেকে ১৫ জন।
তারা দিনের বেলায় তিন তাশের ভেল্কিবাজি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে অসহায় মানুষের লাখ লাখ টাকা। রাতের আঁধারে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক সহ বিভিন্ন বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তারা। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সহ আশপাশের বাসিন্দারা। তাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ট্রাক ড্রাইভার বলেন, আমরা তাদের কাছে অসহায়, তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে বড় বড় নেতা, পুলিশ সবাই তাদের পক্ষে কথা বলে তাই আমরা অসহায়। পাগলা বাজার এলাকায় এইসব চোর, ডাকাতদের শেল্টার দিচ্ছে পুলিশের সোর্স জাফর।
তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, কে নিবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা? পুলিশ প্রতিটি ভাঙ্গারী দোকান থেকে ৬০০ টাকা করে খায়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে র্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এই ভুক্তভোগী।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন পাগলা বাজারের ব্যবসায়ী জানায়, আমাদের চোখের সামনেই হরহামেশাই চলন্ত ট্রাক থেকে হচ্ছে ডাকাতি, কে কি বলবে। আসলে যারা এইসব চোর, ডাকাতদের শেল্টার দেয় তাদের খুটির জোর কোথায়? এভাবে প্রকাশ্যে মানুষের সামনে হচ্ছে চুরি ছিনতাই ডাকাতি, কেউ কোনো প্রতিবাদ করে না। তার কারণ কি?
তাদের সাথে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন জড়িত। তাই তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নেই কারও। সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এমন যদি চলতে থাকে তাহলে আমরা ব্যবসায়ীরও নিরাপদ নয়। প্রতিদিন দোকানের তালা ভেঙে হচ্ছে চুরি ডাকাতি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে র্যাব-১১ এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
পাগলায় ভাঙ্গারী দোকানের অন্তরালে সুসংগঠিত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির মত অপরাধ। আর এইসবের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত কথিত পুলিশ সোর্স জাফর। জাফরের শেল্টারেই চলছে এইসব অপকর্ম।
অনেকেই জানতে চেয়েছেন আসলে সোর্স জাফরের খুটির জোর কোথায়। এত পত্র পত্রিকায় গাদাগাদি রিপোর্ট হলেও তার বিরুদ্ধে কেন পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতরে এইসব এলাকায় বসবাসরত জনগণের বিবেচনা করে অতিদ্রুত সোর্স জাফর সহ তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এবং নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১ এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


