ফের জলাবদ্ধতার কবলে ফতুল্লার বিশাল এলাকা
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২২, ০৪:৩৬ পিএম
# ভয়াবহ দুর্ভোগের আশংকায় আতংকগ্রস্ত সাধারণ মানুষ
শুক্রবার কালবৈশাখীর সময় মাত্র দেড় ঘন্টা বৃষ্টিপাত হয়েছিলো। আর এতেই ডুবে গিয়েছিলো ফতুল্লার বিশাল এলাকা। বিশেষ করে ডিএনডির ভেতরে ফতুল্লা ও কুতুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিলো। এখনো অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। তাই গোটা ফতুল্লা ইউনিয়ন জুরে যে এবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতা হবে এতে কারোই কোনো সন্দেহ নেই।
কারণ বিগত বর্ষা শেষ হওয়ার পর এই ইউনিয়নের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে এমন কোনো কাজ হয়নি যাতে এবার অত্র ইউনিয়নের মানুষ এবার দূর্ভোগমুক্ত থাকতে পারবেন। বিগত বর্ষায় এই ফতুল্লা ইউনিয়নে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিলো। বৃষ্টির পানি জমে ডুবে গিয়েছিলো সাধারন মানুষের বাড়িঘর, দোকানপাট, মসজিদ মাদ্রাসা সহ সব কিছু।
ফলে গত বছর এই জলাবদ্ধতা নিয়ে মিডিয়ায় বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছিলো। এতে স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানও তৎপর হয়ে উঠেছিলেন। কথা ছিলো এই বার আর জলাবদ্ধতা হবে না। কিন্তু ফতুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানিয়েছেন তাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা হবে না এমন কোনো কাজ হয়নি। কোথাও নতুন করে কোনো পাকা ড্রেন নির্মান করা হয়নি।
বরং বিগত বছরে আরো কিছু জায়গায় কাাঁচা ড্রেন দখল হয়ে গেছে। এছাড়া যে সকল কাঁচা পাকা ড্রেন রয়েছে এগুলোও ভরাট হয়ে গেছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ এগুলো পরিস্কার করার কোনো ব্যবস্থা করেনি। তাই গেলো বছরের চেয়েও এবার বেশি জলাবদ্ধতা হবে বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়া তারা আরো মনে করেন এই জলাবদ্ধতা সমস্যাই তাদের এক নম্বর সমস্যা।
কেনোনা রাস্তাঘাট যাই করা হোক না কেনো, জলাবদ্ধতায় সব কিছু ডুবে যায়। মাসের পর মাস গোটা ফতুল্লা ইউনিয়ন এলাকা জলমগ্ন থাকায় অনেক মানুষেরই ঘরের ভেতর পানি থাকে। বহুতল ভবনগুলিরও নিচতলা ডুবে যায়।
রাস্তাগুলি ডুবে থাকায় মানুষ শহরে আসতে পারে না। অনেক ভাড়াটিয়া এলাকা ত্যাগ করে চলে যায়। এতে ভাড়া দেয়া বাড়ি গুলি খালি পরে থাকে। অথচ নতুন করে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেম্বাররাও কিছু করছে না। এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নূন্যতম কিছু করছেন না তারা। ফলে এবার আবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতার কবলে পরবে গোটা ফতুল্লা ইউনিয়ন এলাকা।


