Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ঈদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রয়েছে যানজটের আশঙ্কা

Icon

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২২, ০৫:১৭ পিএম

ঈদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রয়েছে যানজটের আশঙ্কা
Swapno

ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে এবছর ঘরমুখী মানুষের চাপ বৃদ্ধি পাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। ফলে এ সড়কে যানজটের আশংকা থেকেই যাচ্ছে। এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে যদিও পুলিশী তৎপরতা থাকবে তবুও যানজটের আশংকা করছেন পরিবহন শ্রমিকরা।

 

দেশে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবারের ঈদে ঘরমুখী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ঈদে বড় ছুটি এবং জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার কারণে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ ছুটে যাবে গ্রামে। গত দু’ বছর করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাইরে থাকার পরও কঠোর বিধি নিষেধের মধ্যে কোটির ওপর মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। এবছর এর সংখ্যা কয়েকগুন বাড়তে পারে।

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল থেকে মেঘনা ঘাট পর্যন্ত সড়কে কোন প্রকার সংস্কার বা উন্নয়ন কাজ নেই। তবে সিগন্যাল রয়েছে। ফলে মহাসড়কে মানুষ নিবিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবে। শুধুমাত্র সিগন্যালের কারণে হয়তো অল্প সময় বসে থাকতে হতে পারে। ইতোমধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

সরেজমিনে মেঘনা টোল প্লাজা থেকে শুরু করে শিমরাইল পর্যন্ত দেখা যায়, এ সড়কে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত কোন সড়ক ও জনপদের কোন সংস্কার বা উন্নয়ন কাজ নেই। এ ১৬ কিলোমিটার সড়কে কোন ভাঙ্গাচোরা নেই। তবে এ সড়কে ছোট বড় মিলিয়ে ১১ টি সিগন্যাল রয়েছে। এর মধ্যে মদনপুর চৌরাস্তা, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও মেঘনা টোল প্লাজায় বড় ৩টি সিগন্যাল রয়েছে। এসব সিগন্যালে পড়ে দীর্ঘক্ষণ এখনই মানুষ গাড়িতে বসে থাকতে হয়।

 

এছাড়াও মেঘনা ও গোমতী সেতুতে টোল আদায়ে বিলম্বই যানজটের বড় কারণ হতে পারে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের গাড়ির চাপ বৃদ্ধি পেলে দৃশ্যপট আরো পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা।

 

পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, মদনপুর চৌরাস্তা ও মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় লোকাল বাসে স্ট্যান্ড রয়েছে। এখানে জট সৃষ্টি করে যাত্রী উঠা নামা করার করানে যানজট লেগে থাকে। এ দুটি স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলে যানজট থাকবে না।

 

অপর দিকে মেঘনা টোল প্লাজায় টোল আদায়ে ধীরগতি থাকে। নিরসনে সকল টোল বুথ চালু রাখতে পারলে যানজট থাকবে না মনে করেন তারা। এছাড়া ছোট ছোট যানবাহন সিএনজি, অটোরিক্সা, রিক্সাভ্যান মহাসড়কে চলাচল করতে না দিলেই হয়তো যাটজট নাও থাকতে পারে।

 

হানিফ পরিবহনের চালক সোলাইমান মিয়া বলেন, এ বছর শিমরাইল থেকে টোল প্লাজা পর্যন্ত যানজটের আশংকা করছি না। তবে পুলিশের তৎপরতায় সিগন্যালগুলো ও মহাসড়কে তিন চাকার বাহন সিএনজি, অটোরিক্সাসহ ছোট ছোট বাহন সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই ঈদ যাত্রা মানুষের স্বাভাবিক হবে।

 

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নবীর হোসেন বলেন, মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত যানজটের তেমন আশংকা নেই। যানজট নিরসনে মহাসড়কের সিগন্যাল ও লোকাল বাস স্ট্যান্ড, তিন চাকার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ ও চলাচলে অনুপযোগী গাড়ি চলাচলে বিধি নিষেধ ও বিকল হওয়া গাড়ি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া,

 

অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারিসহ বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আশা করি অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ঈদ যাত্রা স্বাভাবিক হবে। আমরা ঘরমুখো মানুষের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন