ফতুল্লার দেলপাড়ায় ঈদের রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় টিনের তৈরী পনেরোটি ঘর প্ুেড় গেছে। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে নয়টার দিকে হাজীগঞ্জস্থ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে বলে জানা যায়। ফায়ার সার্ভিসের উপ- সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানায়, প্রাথমিক তদন্তে শট- সার্কিটের কারনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
অপর দিকে বাড়ীর মালিক এমেলী খাতুনের দাবী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে তার মালিকানাধীন ভাড়া বাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিস বলছে ভিন্ন কথ প্রাথমিক তদন্তে ফায়ার সার্ভিস ঈদের রাত সাড়ে আটটার দিকে ফতুল্লা থানার দেলাপাড়া বাজার বাজারস্থ আপ্যায়ন কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সামছুল হকের বাড়ীতে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে নয়টার দিকে হাজীগঞ্জস্থ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সামছুল হকের স্ত্রীর এমেলী খাতুন মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এমেলী খাতুন জানায়, তার ছেলের সাথে দ্বন্দ্বের জের ধরে তারই স্বজন আবু সাঈদ, সালাম,বিউটি,জিয়া লিটন সহ আরো বেশ কয়পকজন তাকে সহ পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে আসছিলো।
এ কারনে সে থানায় এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে অভিযোগ ও দায়ের করে।পরে স্থানীয় শালিসীর মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা হয়। তার ধারনা এ কারনেই পরিকল্পিত ভাবে এই অগ্নিসংযোগের গটনা ঘটিয়েছে। অগ্নিসংযোগের সময় তার বাড়ীর অধিকাংশ ভাড়াটিয়া ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ীতে গিয়েছিলো। তিনি আরো বলেন অগ্নিসংযোগের কিছু সময় পূর্বে অভিযুক্তরা তাকে ফোন করে তাদের দেলপাড়াস্থ বাসায় যেতে বলেছিলো।
তার ধারনা সে সময় সে বাসায় গেলে হয়তো তাকে আরো বড় ধরনের ক্ষতি করতো। এ বিষয়ে তিনি ঘটনার একিদন পর বাদী হয়ে পরিকল্পিত ভাবে পেট্রোল দিয়ে তার ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক হুমায়ুন কবির(টু) জানায়,অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।


