ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে কদমতলীপুল বাসস্ট্যান্ড
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২২, ১০:১২ পিএম
শিমরাইল- আদমজী- নারায়ণগঞ্জ সড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী পুল বাসস্ট্যান্ড সড়কের পাশ ঘেঁষে দীর্ঘদিন ধরে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। আবর্জনার স্তূপ ও দুর্গন্ধের কারণে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করে আসছে এ এলাকার দোকানদার ও বাসিন্দারা।
এতে দুর্গন্ধের স্থান হিসেবে পরিণত হয়েছে কদমতলী পুল বাসস্ট্যান্ড। সরেজমিনে দেখা যায়, কদমতলী পুল বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম দিকে রয়েছে সরকারি আদমজী নগর এম ডব্লিউ কলেজ, এম ডব্লিউ হাই স্কুলসহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাছাড়া রয়েছে আবাসিক এলাকা ও একাধিক ছোট বড় ক্লিনিক। কদমতলীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকা,
হোটেল-রেস্তোরাঁ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ক্লিনিকের বর্জ্য ফেলায় এ সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। যার ফলে এখান দিয়ে যাতায়াতকারীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরকারি আদমজী নগর এম ডব্লিউ কলেজের ছাত্র আশিকুর রহমান বলেন, আমরা একসাথে কয়েক জন বন্ধু মিলে অটোতে করে কলেজে আসি।
বাস স্ট্যান্ডে অটো থামতেই ময়লার দুর্গন্ধ আসে প্রচুর। আমরা সবাই তাড়াতারি করে রাস্তা পাড় হয়ে চলে যাই। তবে আমাদের সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হয় বাসায় যাওয়ার সময়। অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করতে হয় তখন ময়লার দুর্গন্ধে দাঁড়িয়ে থাকতে পারি নাহ। কদমতলী প্রধান মসজিদ এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন,
এখানে বাজারের লোক তাদের স্বার্থের জন্য বাজারের সকল বর্জ্য এই রাস্তার পাশে ফেলে। এতে যেমন ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে তিনি মনে করেন। খাদিজা আক্তার। পেশায় একজন গার্মেন্টস কর্মী। তিনি বলেন, প্রতিদিন অফিসে আশা যাওয়া করি এই রাস্তা দিয়ে।
সকাল বেলা গাড়ীর জন্য অপেক্ষা করতে হয় কিন্তু ময়লার দুর্গন্ধের কারণে দাঁড়িয়ে থাকাটা অনেক কষ্টকর হয়ে যায়। এ থেকে কবে যে আমরা মুক্তি পাবো তা জানা নেই। এদিকে কদমতলী পুল বাসস্ট্যান্ড ও আশেপাশের কয়েকজন দোকানদার ও হোটেল মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কদমতলী রাস্তার পাশে বর্জ্য ফেলার কথা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে নাসিক ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর আয়শা আক্তার দিনা জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। এ বিষয়ে এখন কিছু বলতে পারছিনা। আপনি সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ বিষয়ে ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান রিপনের সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


