# পুরো বর্ষার আগেই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
বর্ষা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফতুল্লার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের মাঝে। এরই মাঝে কাল বৈশাখী ঝড়ের সাথে সাথে যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতে ফতুল্লা থানার চারটি ইউনিয়নের অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফতুল্লার ইসদাইর, লালপুর, পাইলট স্কুল, টাগারের পাড় সহ মাসদাইর,
কুতুবপুর এবং কাশীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পানি জমছে। তাই আগামী দিনগুলিতে যখন প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হবে তখন পরিস্থিতি কি হবে এখনই সেটা অনুধাবন করা যাচ্ছে। এসব এলাকার মানুষ মনে করেন বিগত বর্ষায় এসব এলাকায় যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিলো এবারের অবস্থা আরো ভয়াবহ হবে। এলাকাবাসী আরো জানায় গত কয়েক বছর ধরেই বর্ষা কাল এলে গোটা ফতুল্লা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়।
এতে এই জনপদের স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা সব বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তাগুলি সব হাটু পানির নিচে ডুবে থাকে। ঘর থেকে বের হতে পারে না মানুষ। সাধারন মানুষের ঘরে ঘরে পানি ঢুকে। রাস্তাগুলিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক কথায় গোটা ফতুল্লা এলাকা পরিত্যাক্ত হয়ে পরে।
ফলে অত্র এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয়। এদিকে গত বর্ষায় ফতুল্লায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলেও বিগত এক বছরে অত্র এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো কাজ হয় নাই। নির্মাণ হয়নি পরিকল্পিত কোনো ড্রেনেজ ব্যাবস্থা। বরং অনেকে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। তাই এবারও যে বৃষ্টির পানিতে গোটা এলাকা ডুবে যাবে এতে কারোই কোনো সন্দেহ নেই। তাই জনমনে বিরাজ করছে জলাবদ্ধতা আতঙ্ক।


