ফতুল্লায় নবজাতক শিশুকে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিশুটির নানা মোঃ ফকির চানঁ শেখ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ফতুল্লা মডেল থানার সরকারি জ্বালানী তেল ডিপো যমুনা পেট্রোলিয়ামের বিপরীতে রুশেন হাউজিংয়ে। বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়,চার বৎসর পূর্বে ফতুল্লা থানার রুশেন হাউজিংয়ে মৃত শাহ আলমের পুত্র শামীমে(৩০)'র সাথে বাদীর মেয়ে মুক্তা
আক্তারে(২৩)র সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মেয়ের শ্বাশুড়ী নাসিমা বেগম ও ভাসুর শাহিন(৪২) সহ শ্বশুড় বাড়ীর স্বজনেরা সন্তান না নেওয়ার জন্য বাদীর মেয়েকে পরামর্শ দিয়ে আসছিলো। এবং সন্তান না নেয়ার জন্য রীতিমতো চাঁপ প্রয়োগ করে আসছিলো। তারপর ও বাদীর মেয়ে সকল বাধা উপেক্ষা করে গর্ভে সন্তান নেয়।
চলতি মাসের ১০ তারিখ রাত নয়টায় শহরের মেডইন হোপ ক্লিনিকে বাদীর মেয়ের গর্ভে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। ক্লিনিক কতৃপক্ষ তিন দিন পর(১৩ মে) বাদীর মেয়েকে ক্লিনিক থেকে ছাড়পত্র প্রদান সহ চিকিৎসা শেষে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। দুদিন পর(১৫ মে) ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে বাদীর মেয়ে তাকে ফোন করে জানায় যে নবজাতক ছেলে সন্তানটি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে ফলে তাকে মাতুয়াইল শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেছে।
সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়ে জানতে পারে যে শিশু সন্তান টি মারা গেছে এবং বাসায় নিয়ে গিয়ে কাউকে কিছু না বলে অতি গোপনে দ্রুততার সাথে দাফন সম্পন্ন করে। বাসায় তার শ্যালক কে নিয়ে গিয়ে বাসায় গিয়ে শিশুটির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তাদের কে কোন প্রকার সম্তোষজনক উত্তর না দিয়ে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেয়।বাদী তার অসুস্থ মেয়ের সাথে দেখা করতে চাইলে ও তাকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
বাদীর ধারনা পরিকল্পনানুযায়ী অভিযুক্তরা শিশুটি অভিন্ন কৌশলে অসুস্থ করিয়া মেরে ফেলেছে। এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক আরিফ পাঠানা জানান,লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।বিষয়টি বেশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের বিষয়টি প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।


