Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

কুতুবপুরে হাত বাড়ালেই মিলছে ভয়ানক মাদক

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২২, ০৪:৩৮ পিএম

কুতুবপুরে হাত বাড়ালেই মিলছে ভয়ানক মাদক
Swapno

হাত বাড়ালেই মিলছে মদ, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ নানা মাদকদ্রব্য। প্রশাসনের নাকের ডগায় মাদক বিক্রি হলেও নেই কোনো প্রতিকার। মাদকের সাথে জড়িত একটি শক্তিশালী চক্র। অসহায় হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। সদর উপজেলার অন্যতম জনবহুল কুতুবপুর ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় এখন মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাগলা বাজার স্টুডিও এলাকায় মৃত আলমাছের ছেলে মাদক সম্রাট শাহ আলম, মৃত ইসহাকের ছেলে রুবেল ওরফে ঘাড রুবেল, রসুলপুর এলাকায় ফারহান আহাম্মেদ রবিন, রসুলপুর আকন গলিতে মাদকের ডিলার চয়ন, শাহী বাজার আমতলা এলাকায় বশির, দেলপাড়া চিতাশাল খালপাড় এলাকায় নোবেল ও তার স্ত্রী পাখি, 

 

টাওয়ার পাড়ে দিদার, পূর্ব দেলপাড়ায় রাসেল, ডা. সজিব, পশ্চিম নয়ামাটি এলাকায় হেরোইন ব্যবসায়ী জলিল, দক্ষিণ নয়ামাটিতে সামছুল হকের ছেলে সেলিম, গাঞ্জা সুমন, পিংকী, গ্রীল সুজন, নাদিম ওরফে ভাগিনা নাদিম, নন্দলালপুর এলাকায় সালামের ছেলে রনি ওরফে পেঁচা রনি, তার স্ত্রী পপি, দেলোয়ারের ছেলে শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত, সাগর, 

 

নন্দলালপুর বটতলা এলাকায় মতুর ছেলে রুবেল, জসিম, চোর আব্বাস, শাহীন, পিলকুনী মাদ্রাসা রোডে ডাকাত শাহীন, শাকিল, নয়ন, আলীগঞ্জ রেললাইনে সল্টু রাসেল ও তার স্ত্রী, খোকা, ইব্রাহিম, আইনু, জুয়েলসহ আরো প্রায় অর্ধশতাধিক মাদক ব্যবসায়ীর একটি সিন্ডিকেট মাদক বেচাকেনায় সক্রিয় হয়ে পড়েছে। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি বেড়েছে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, হত্যা, হত্যার চেষ্টা সহ বিভিন্ন অপরাধ। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেও ভয় পায় অনেকেই।

 

কুতুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার একাধিক মানুষের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, মাদকের সব রকম দ্রব্য চিহ্নিত ব্যক্তিরা বিক্রি করছেন। মাদকের অভয়ারণ্য হলেও অজ্ঞাত কারনে তারা ব্যবসা চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ চোখে পড়ার মতো নয়।

 

পাগলা নয়ামাটি এলাকার সাইফুল ইসলাম, জমির উদ্দিন, ফারুক আলী সহ বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপকালে বলেন, তারা মাদক নিয়ে বড়ই চিন্তিত। এটা থেকে তারা মুক্তি চান। প্রভাবশালী নেতা, মাস্তান, জনপ্রতিনিধিদের আশ্রয় প্রশ্রয় আর পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজের কারনেই প্রতিহত করা বেশ দুস্কর হয়ে পড়েছে।

 

কুতুবপুরের মাদক বিরোধী একটি সংগঠনের নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাদক নির্মূলে কিছু সমাজ সচেতন মানুষকে সাথে নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। মাদকগ্রহণকারী ও বিক্রেতাদের প্রতিহত করতে কয়েকটি কাজ করেছিলাম।

 

কিন্তু রাজনৈতিক নগ্ন হস্তক্ষেপ আর প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে আর এগুতে পারিনি। আরিফ হোসেন নামের এক শিক্ষক জানান, মাদকের থাবায় অতিষ্ঠ আমরা। কিশোর-তরুনরা দিনদিন ঝুঁকছে মাদকের ভয়াবহতার দিকে। সেই সাথে অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ জরুরী হয়ে পড়েছে।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন