Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

জলাবদ্ধতা নিয়ে টেনশনে শামীম ওসমান

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২২, ০৫:৪৪ পিএম

জলাবদ্ধতা নিয়ে টেনশনে শামীম ওসমান
Swapno

 শনিবার টাগারের পাড়ের জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে এক আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের অনুসারী তিন নেতা বলেছেন, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ফতুল্লার জলাবদ্ধতা নিয়ে বেশ চিন্তিত। এমন কি আকাশে মেঘ দেখলেই তিনি চিন্তিত হয়ে পরেন।

 

তিনি এবার আগে থেকেই বার বার এই নেতাদেরকে বলেছেন তারা যেনো আগে থেকেই ব্যবস্থা নেন যাতে ফতুল্লায় এবার কোনো জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান স্বপন বলেন, আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান এবার ফতুল্লার জলাবদ্ধতা নিয়ে বার বার আমাদেরকে বলছেন এবার যেন ফতুল্লায় কোনো জলাবদ্ধতা না হয়।

 

তাই আমরা জলাবদ্ধতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছি। আমরা আপনাদের পাশে আছি। কিভাবে এলাকাকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখা যায় সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। মাননীয় এমপি দেশে ফিরলেই আমরা তার সাথে সাক্ষাৎ করবো এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নিবো।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী বলেন, আমি যখনই মাননীয় এমপির সাথে দেখা করি তখনই তিনি ফতুল্লার জলাবদ্ধতার খবর নেন। তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যা কিছু করা লাগে করতে হবে, যেকোনো মূল্যে ফতুল্লাবাসীকে জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখতে হবে। তাই আমরা এবার আগেই প্রস্তুতি নিয়েছি।

 

আশা করি এবার আর ফতুল্লায় আগের মতো জলাবদ্ধতা হবে না ইনশাআল্লাহ। একই অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু বলেছেন, মাননীয় এমপি শামীম ওসমান আপনাদের এলাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে এতোটাই চিন্তিত থাকেন যে তিনি এখন আকাশে মেঘ দেখলেই ভয় পান।

 

তাই তিনি আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যেনো যেকোনো মূল্যে এলাকাকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখি। তাই আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। চেষ্ঠা করবো আপনাদের দুর্ভোগ লাঘব করতে।এদিকে নেতৃবৃন্দ যখন টাগারের পারের ওই আলোচনা সভায় এসব বক্তব্য দিচ্ছিলেন  তখন ওই এলাকার বাড়ি ঘর পয়ঃনিস্কাশনের পানিতে ডুবে ছিলো ওই এলাকার সব রাস্তাঘাট।

 

কোনো বৃষ্টি ছাড়াই এভাবে ডুবে যায় এবং বারো মাসই ডুবে থাকে। তাই সচেতন মহল মনে করেন এখনই যদি ওই এলাকার ড্রেন ও খালগুলি পরিস্কার করা না হয় তাহলে এবার বৃষ্টি হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ। কারণ এলাকাবাসী জানিয়েছে ড্রেনের নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয় বলে এলাকার অধিকাংশ বাড়ির ভাড়াটিয়া চলে গেছে।

 

ফলে খালি পরে আছে অনেক বাড়ি। এতে সীমাহীন ক্ষতির মুখে পরেছে বাড়িওয়ালারা। সামনে এ ক্ষতি আরো বাড়বে। এছাড়া ওই এলাকায় রয়েছে চল্লিশটির মতো গার্মেন্টস কারখানা। আর এসব কারাখানায় কাজ করেন হাজার হাজার শ্রমিক। এই শ্রমিকদের এই নোংরা পানি পেরিয়ে প্রতিদিন কারখানাগুলিতে আসতে হয়।

 

তাই এখনই যদি অত্র এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো ব্যাবস্থা নেয়া না হয় তাহলে এবার পরিনতি হবে ভয়াবহ। তীব্র সমালোচনার মুখে পরবেন স্থানীয় এমপি একেএম শামীম ওসমান। আগামী বছর জাতীয় নির্বাচন। এবার যদি ফতুল্লাবাসী দুর্ভোগে পরে আর নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হয় তাহলে শামীম ওসমানের নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

 

আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পরবেন একেএম শামীম ওসমান। কারণ এখন তিনি মেঘ দেখে ভয় পেলেও এতোদিন তিনি কি করেছেন? চুপ করে বসেছিলেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো ব্যবস্থাই নেননি শামীম ওসমান। তাই এবার জলাবদ্ধতার কবলে পরতে যাচ্ছে ফতুল্লার জনগণ। এরই মাঝে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে টাগারের পাড় এলাকার মানুষ।এসএম/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন