কুতুবপুরের ড্রেনগুলো ময়লা আবর্জনার স্তুপে পরিণত
সাদ্দাম হোসেন শুভ
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২২, ০৯:৫০ পিএম
ফতুল্লার গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম জনবহুল কুতুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ময়লার স্তূপের কারণে দুর্গন্ধে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অসচেতন বাসিন্দা, যত্রতত্র ময়লা ফেলার অপচর্চা,ডাস্টবিনের অভাব, ড্রেন পরিষ্কার ও ময়লা অপসারণে জনপ্রতিনিধিদের উদাসীনতা প্রভৃতি কারণে অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে নয়ামাটি, দেলপাড়া, নন্দলালপুর, বৌ বাজার, রসুলপুর, শাহী বাজার, নিশ্চিতপুর, আদর্শ নগর, নুরবাগ, চিতাশাল, পিলকুনী, পাগলা, আলীগঞ্জ সহ কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকা।
ময়লা ফেলার ডাস্টবিন না থাকায় বেশির ভাগ মানুষ রাস্তার আশেপাশে ও এলাকার পানির ড্রেনে ময়লা স্তূপ করে রাখায় ময়লা দুর্গন্ধে হাজার-হাজার বাসিন্দাদের পথ হাঁটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নের প্রতিটি রাস্তা অলিগলি যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অসচেতন দোকানদারগণ ময়লা ড্রেনে ফেলেন। অনেক বাসাবাড়ির লোকজনও উচ্ছিষ্ট, ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় ও ড্রেনে ফেলেন। এ জন্য ড্রেনগুলোর পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেও পুরো এলাকায় এখন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আবর্জনা অপসারণ ও ড্রেন পরিষ্কারে ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের ধীরগতি ও উদাসীনতায় কুতুবপুর ইউনিয়ন অপরিচ্ছন্ন থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মিয়া জানান,পুরো ইউনিয়ন এখন ময়লা-আবর্জনা স্তূপে পরিণত হয়েছে। শিশুরা রাস্তায় নামতে পারছে না দুর্গন্ধে। চেয়ারম্যান ও মেম্বার কাছে বাববার অভিযোগ করে সমাধান মিলেনি। একটু বৃষ্টিতে পুরো এলাকায় পানি জমে যায়। এতে করে মানুষ বের হওয়া কষ্টকর হয়ে ওঠে। এর একটি সমাধান চাই।
রমজান হোসেন নামে আরেকজন বাসিন্দা বলেন , আমাদের এলাকাটি ময়লা-আবর্জনা বলে মানুষ হাসাহাসি করে। এলাকার প্রতিটি অলি-গলিতে রাস্তা বর্জ্যের স্তূপ। সামান্য বৃষ্টি হলে মানুষ বের হতে পারে না । আমরা ময়লা-আবর্জনা থেকে বাঁচতে চাই। স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা জানান, চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে এবং তিনি বিভিন্ন এলাকার সরেজমিন এসে আশ্বাস প্রদান করেছেন। আশাকরি তিনি এর একটি সমাধান অতি দ্রুত আমাদের জানাবেন।
এই বিষয় জানতে চাইলে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। এলাকাগুলো আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠায় ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে ড্রেনের ওপর মায়লার স্তূপ সৃষ্টি হয়েছে।
আমরা প্রতিটি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলে, বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রতিটি এলাকার ড্রেন পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, ড্রেনে ময়লা ফেলার বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। ময়লা ফেলার কারণে যেন ড্রেনগুলো পানি প্রবাহ বন্ধ না হয়ে যায়।এমই/জেসি


