গত মে মাসে বন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকান্ডসহ চুরি ও মাদক ব্যবসা আংশকা জনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন কথা জানিয়েছে বন্দরের সচেতন মহল। তারা আরো জানিয়েছে বন্দরে মাদকের ভয়াবহতা মারত্মক আকাড় ধারন করছে।
কোন অবস্থাতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারছে না স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটি। তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে বিভিন্ন অপরাধে বন্দর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে মোট ৪৮টি।
এর মধ্যে হত্যা মামলা হয়েছে ৪টি, জঙ্গী মামলা ১টি, অস্ত্র আইনে ১টি, সিধেল চুরি ১টি, সাধারন চুরি ১টি, ধর্ষন মামলা ৫টি, মাদক মামলা ১৪টি, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা ৮টি ও অন্যান্য মামলা হয়েছে আরো ১৩টি। বন্দর থানায় রুজুকৃত ১৪টি মাদক মামলায় পুলিশ ও র্যাব বন্দরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়াও ১৪টি মাদক মালায় পুলিশ ২৭ জন মাদক ব্যবসায়ী কাছ থেকে ১’শ ৫৪ কেজি ৩’শ গ্রাম গাঁজা, ১’শ ৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৭ জাহার ৫’শ ২৪ পিছ ইয়াবা ও ৩৪ বোতল বিদেশী মদ, ১’শ ৩৪ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।
গত মে মাসে বন্দরে বিভিন্ন স্থান থেকে র্যাব ও পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৪৪ লাখ ৮৬ হাজার ৩’শ ১৪ টাকা। বন্দরে ৪টি হত্যা মামলায় ৪ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে। এ ছাড়াও গত মে মাসে বন্দর থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীসহ ৩ জন সাঁজাপ্রাপ্ত ও সিআর মামলার ২১ জন ও জিআর মামলার ওয়ারেন্টভ’ক্ত ২০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার সুযোগ্য অফিসার ইনর্চাজ দীপক চন্দ্র সাহা গনমাধ্যমকে জানান, ৪টি হত্যাকান্ড ছাড়া গত মে মাসে বন্দরে আইন শৃঙ্খলা ছিল ভালো। বন্দরে কোথাও কোন ডাকাতি ঘটনা ঘটেনি। গত মে মাসে বন্দরে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। বন্দরে সার্বিক আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমি বন্দর উপজেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।এমই/জেসি


