পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২২, ০৮:২৫ পিএম
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুরে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে অনিয়ম তুলে ধরলেন পাগলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও পাগলা বাজারের ব্যবসায়ী এম এ জাহের মোল্লা । এসময় তিনি তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে উল্লেখ করেন পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সেশন ফি বাবদ আয় আটাশি লক্ষ টাকা ,বারো মাসে মাসিক বেতন আদায় এক কোটি তেষট্টি লক্ষ বিশ হাজার টাকা যোগ করে দেখা যায় তাদের বছরে আয় ২ কোটি তিরানব্বই লক্ষ বিশ হাজার টাকা ।
তবে তিনি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে বছরে এই পরিমানে আয় থাকা সত্বেও পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঠিক ভাবে বেতন পাচ্ছেন না। এখনো তিন মাসের বকেয়া বেতন শিক্ষকরা তাই ঠিক মতো বেতন না পেয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং করাতে বাধ্য হন । এমনকি বিদ্যালয়ের ফান্ডে কোন রকম টাকা নেই ।
ফেসুবক পোস্ট বিষয়ে জাহের মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কারো সাথে ব্যাক্তিগত আমার কোন রকম জামেলা নেই পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের আমি ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ছিলাম আমার মেয়ে এই বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছে । আমরা চাই পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় স্বচ্ছ ও অনিয়ম মুক্ত থাকুক ।আমার প্রশ্ন হলো পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়ের পরিমান এতো হওয়া সত্বেও কিভবে তারা শিক্ষকদের বেতন আটকিয়ে রাখে ।
এসময় তিনি আরও বলেন পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়কে ধ্বংস করার জন্য একজনই দায়ি আর সেটা হচ্ছে অত্র বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির দায়িত্বে আছেন রেজাউল করীম যার কারনেই আজ পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ধরনের অনিয়ম হচ্ছে । আমার প্রশ্ন হচ্ছে নির্বাচন ছাড়া কিভাবে তিনি নিজের স্বার্থে এ্যাডহক কমিটির এই পদ দখল করে আছে।
আমি মনে করি তিনি পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে যে সকল কার্যক্রম করছে তাতে করে এই বিদ্যালয় ধ্বংসের পথে তাই আমি মনে করি অতিদ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক ।
কারণ এই বিদ্যালয়ের সভাপতি মাননীয় এমপি শামীম ওসমান এই বিদ্যালয়ের কিছু লোকের অনিয়মের কারণে দেখা যাচ্ছে বিদ্যালয়টি প্রশ্নের মুখে পরছে তাই মাননীয় এমপি মহাদয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি আপনি দ্রুত এই বিদ্যালয়ের অনিয়মের খোঁজ নিন এবং যারা এই বিদ্যালয়কে বিতর্কিত করছে তাদের বিরূদ্ধে ব্যাবস্থা নিন।
আমি চাই এই বিদ্যালয় সুন্দর ভাবে চলুক, বিদ্যালয় উন্নত হোক এটাই আমার চাওয়া ।আমার ফেসবুক পোষ্টে কোন রকম ভূল নেই তবে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে টাকার পরিমান আরও বাড়তে পারে।আমি কারও প্রতিপক্ষ না কিন্ত সত্য লেখান কারনে আমাকে তারা প্রতিপক্ষ মনে করছে।এসএম/জেসি


