Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

কুতুবপুরে মসজিদে দুই পন্থীদের আলাদা জামাত, চলছে উত্তেজনা

Icon

ফতুল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২২, ০৭:১১ পিএম

কুতুবপুরে মসজিদে দুই পন্থীদের আলাদা জামাত, চলছে উত্তেজনা
Swapno


 # এ বিষয় নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে : ওসি ফতুল্লা

 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুরে দক্ষিণ ওয়ায়েসকরনী এলাকায় মুহাম্মদীয়া তাক্ওয়া জামে মসজিদে আহলে পন্থী ও সাধারন মুসুল্লিদের আলাদা আলাদাভাবে পৃথক জামাত হওয়ার কারণে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, এমনকি আহলে হাদীস ও সাধারণ মুসুল্লিদের মধ্যে বেশ কয়েকদিন যাবৎ এলাকার চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা সাধারণ জনমনে।


 
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় , গত বছর ফরিদ আহমেদ সিকদার নামে এক ব্যাক্তি  এই মসজিদটি জায়গা দান করেন তারপর এলাকাবাসীর সকলের সহযোগীতায় মসজিদ নির্মাণ করা হয় এবং সেখানে সাধারণ মুসুল্লিরা জামাতের সাথে সালাত আদায় করে আসছিলো। তবে বেশ কয়েকদিন যাবৎ মসজিদে দেখা যাচ্ছে আহলে হাদীস ও মুসুল্লীরা আলাদা ভাবে সালাত আদায় করছে। আর এতে করে ফুসে উঠে সাধারণ মুসুল্লিরা দেখা যায় দুই গুরুপের এখন মারমুখী অবস্থানে ।


 
এ বিষয়ে এলাকার এক সাধারণ মুসুল্লি জানান, প্রথমে যখন এই মসজিদটি নির্মাণ করা তখন এটা ওয়াকফাহ করা ছিল না ,তবে ওয়াকফাহ করার আগেই বলা হয়েছিল আল্লাহর ঘর সকল মুসলিমদের জন্য এই মসজিদ কারো ব্যাক্তিগত নয়। আর এর পর থেকেই সাধারণ মুসুল্লিরা মসজিদটি বিভিন্ন সময় দান করতে থাকে। তবে খোজ নিয়ে জানা যায় মসজিদটি আহলে হাদীস পন্থীদের নামে ওযাকফাহ করে দেওয়া হয়। তার পর থেকেই দেখা যায় তারা তাদের মতো আলাদা করে সালাত আদায় করে এবং তারা এমনটিই বলেছেন যে এই মসজিদের কমিটিতে থাকতে হলে সকলকে আহলে হাদীস পন্থীদের নিয়ম তান্ত্রিক অনুযায়ী চলতে হবে। আর আমরা এর প্রতিবাদ করায় তারা সাধারন মুসুল্লিদের ওপর মারমুখী হয়। তবে আমরা চাই মসজিদ আল্লাহর ঘর এটা কারো ব্যাক্তিগত ইচ্ছাতে না চলুক। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই যাতে করে সাধারণ মুসুল্লিরা কোন রকম জামেলা ছাড়া নামায আদায় করতে পারে।


 
এ বিষয়ে আহলে হাদিস পন্থী ও মুহাম্মদীয়া তাক্ওয়া জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ফরিদ আহমেদ সিকদার বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর আমরা কাউকে বাধা দিচ্ছিনা। আমাদের এখানে মহিলাদের নামায পড়ার ব্যবস্থা করা আছে। কিন্ত তারা মনে করে আমাদের পিছনে নামায পরলে নাকি নামায হবেনা। তারা নিজেরাই আলাদা ভাবে আলাদা ইমাম দিয়ে নামায আদায় করে। আমরা যারা আহলে হাদিস আছি আর আমাদের যারা বিপক্ষে আছে তারা আমাদের যে টাকা দিয়েছিল মসজিদের জন্য সেই টাকা তারা ফেরত চাচ্ছে। আমরা চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা বলেছি ফতুল্লা থানার ওসি বিষয়টা জানেন খুব শিঘ্রই এটার সমাধান দিবেন। এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা অফিসার ইনচার্জ রিয়াজুল হক দিপু জানান , বিষয়টি আমি জানি। দুই পক্ষকে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে। বিষয়টি জানান জন্য কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন মনিরুল আলম সেন্টুকে মুঠোফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।এমই/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন