Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মামলার সাক্ষীকে ১৭বার জুতা পেটা করল আসামিরা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২২, ১২:০৬ এএম

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মামলার সাক্ষীকে ১৭বার জুতা পেটা করল আসামিরা
Swapno

 

১৭ দিন জেল হাজতে থাকায় জামিনে বের হয়ে সাক্ষী হাজি তাহের আলীকে (৮৫) ১৭ বার জুতাপেটা করে করেছেন আসামিরা। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটেছে।



শুক্রবার (২৪ জুন) এ ঘটনায় লাঞ্ছিত হাজী তাহের আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। জানা যায়, উপজেলার বারদি ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি গ্রামে ২০১৪ সালে সাবেক মেম্বার মূছা মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার কামাল মিয়ার জমি সংক্রান্ত বিরোধে মারামারীর ঘটনা ঘটে।



ওই ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় মূসা মিয়াসহ ৯ জনের নামে মামলা হয়। ওই মামলায় মূসা মিয়ার বিপক্ষে হাজী তাহের আলী আদালতে সাক্ষী দেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের ৭ বছর কারাদণ্ড দেন। এরপর মূসা ও তার ভাই মোস্তফা মিয়াসহ অন্যান্য আসামিরা ওই রায়ের বিপক্ষে আপিল করেন। ১৭ দিন কারাভোগের পর গত সপ্তাহে মূসা মিয়া ও মোস্তফা মিয়া জামিনে বের হয়ে আসেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে মামলার সাক্ষী হাজী তাহের আলী দোকানে চা পান করতে গেলে আগে থেকে সেখানে অবস্থানে থাকা মূসা মিয়া, ভাই মোস্তফা মিয়া ও মো. আনাজ মিয়া তার সঙ্গে তর্ক শুরু করেন। এক পর্যায়ে আসামি মোস্তফা মিয়া ১৭ দিন কারাভোগ করায় হাজী তাহের আলীকে একে একে ১৭ বার জুতাপেটা করেন। এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।


 
লাঞ্ছিত হাজী তাহের আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, তার বাবার বয়স ৮৫ বছর। ২০১৪ সালের একটি মামলায় তার বাবা আদালতে সত্য সাক্ষী দিয়েছেন। ওই সাক্ষীতেই আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় দু’জন ১৭ দিন কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। জামিনে বের হয়ে ১৭ দিন কারাভোগ করায় তার বাবাকে মূসা মিয়ার নির্দেশে ১৭বার জুতা পেটা করা হয়েছে। এর আগেও তার বাবাকে আসামিরা পিটিয়ে বাম পা ভেঙে দিয়েছিল। ৪ মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এখনো তার পায়ে রড ভর্তি রয়েছে।



এ বিষয়ে অভিযুক্ত মূসা মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাহের আলীর মিথ্যা স্বাক্ষীর কারণে এ মামলায় আদালত আমাদের সাজা দিয়েছেন। ক্ষিপ্ত হয়ে মোস্তফা তাহের আলীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তবে ১৭টি নয়, মনে হয় দু’চারটি বারি মেরেছে।



সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, এ বয়সের মানুষকে এভাবে লাঞ্ছিত করা খুবই দুঃখজনক। অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এমই/জেসি

 

 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন