Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

গ্রামে ঈদ করতে না দেওয়ায় গৃহবধুর আত্মহত্যা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২২, ১০:৩১ পিএম

গ্রামে ঈদ করতে না দেওয়ায় গৃহবধুর আত্মহত্যা
Swapno

ফতুল্লার নিতাইপুরের একটি ভাড়া বাসা থেকে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) রাতে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের চাচা মো. মাসুদ পারভেজ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।

 

নিহত গৃহবধূর নাম মিম আক্তার জুই (২০)। সে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের মো. রুহুল আমিনের মেয়ে ও সৌদি প্রবাসী তানভিরুল ইসলামের স্ত্রী।

 

মামলায় উল্লেখ্য করা হয়, দেড় বছর পূর্বে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার ক্ষুদ্রাকাঠি গ্রামের জাকির হোসেনের পুত্র তানভিরুল ইসলামকে ভালোবেসে পরিবারের অসম্মতিতে বিয়ে করে মিম আক্তার জুই। বিয়ের কিছুদিন পর তানভিরুল ইসলাম সৌদি আরব চলে যায়। এবং মিম আক্তার জুই ফতুল্লার নিতাইপুরে আবু বক্কর সিদ্দিকের বাসায় ভাড়া থেকে মাহিন লেভেল টেক্সঃ লিঃ ফ্যাশন নামক পোষাক তৈরির কারখানায় কাজ করে আসছিলো।

 

সে এখানে একাই বসবাস করতো। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ীতে যেতে চাইলে সৌদি প্রবাসী স্বামী নিষেধ করে। এ নিয়ে মোবাইল ফোনে স্বামীর সাথে কথাকাটি হয়। এর জের ধরে ঘটনার দুদিন পূর্বে জুই নিজের মাথা নিজেই ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে জুইয়ের বান্ধবী সানজিদা তাকে ডাকতে গেলে গিয়ে দেখে দরজা বন্ধ। তারপর ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ীর কেয়ার টেকারকে নিয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখতে পায় সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেচানো মিম আক্তার জুইয়ের ঝুলন্ত দেহ।

 

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান, মেয়েটি এখানে একাই থাকতো এবং গার্মেন্টসে চাকুরী করতো। স্বামী প্রবাসী। স্বামীর সাথে বনিবনা হচ্ছিলো না। ফোনে কথা কাটাকাটি হয়েছিলো। এ কারণেই হয়তো আত্মহত্যা করতে পারে। তাছাড়া ঘটনার দুদিন পূর্বেও সে নিজ মাথা ফাটিয়ে নিজেকে রক্তাক্ত করেছিলো। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই সে আত্নহত্যা করেছে। এ বিষয়ে নিহতের চাচা অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন