# প্ল্যান পাশ হয়েছে কিভাবে হয়েছে এটা আমি জানি না : ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার
# দুই বার প্ল্যান পাশ হয়েছে কিন্তু কাজ হয়নি : এলাকাবাসী
# টেন্ডার পাশ হয়েছে কিন্তু আমি শিউর না: সাজনু ভূইয়া
বিসিকের ৩ নং গল্লির এনায়েতনগর ইউনিয়নের পশ্চিম মাসদাইর এলাকার ৭ ও ৮ নং ওয়াডের্র মাঝে যে সড়ক অবস্থিত তা প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর যাবৎ ড্রেনের ময়লার পানিতে ডুবে রয়েছে। এই রোড দিয়ে চলাচলকৃত সাধারণ মানুষ অনেক ভোগান্তিতে পড়ছে। আশেপাশের গামের্ন্টস ও বাসস্থানগুলোর ময়লার পানি ড্রেন দিয়ে পাছ না হতে পারার করণে পানি রাস্তার উপরে উঠে থাকে। এই ময়লা পানির দুর্গন্ধে এলাকায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এলাকার অনেকে বিভিন্ন ধরণের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই রোড নিয়ে সাধারণ মানুষ অনেক প্রতিবাদ ও করেছে কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ময়লা পানিতে রাস্তা ডুবে আছে। রাস্তার আশে পাশে যে দোকানগুলো আছে এই ময়লা পানির কারণে তারা ভোগান্তীতে পড়ছেন। এই রোড দিয়ে নিয়মিত অনেক গার্মেন্টস কর্মীরা চলাচল করে। তাদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। অনেকগুলো গামেন্টর্স থাকার কারণে যখন ছুটি দেওয়া হয় তখন ওই রোডে যানজটের সৃষ্টি হয় গামেন্টর্সকর্মীরা বিপদে পরে পানি পাড়িয়ে রাস্তা পারাপার করে। এ নিয়ে কর্মীরা অনেকে অনেক সময়, টাইফয়েড জ্বর, রক্ত, আমাশয়, ডায়রিয়া, কলেরা ইত্যাদি। রোগে আক্রান্ত হতে হয় তাদের। এ বিষয় প্রতি অনেক ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছেন। তারা একটাই কথা বলছেন তাদের দেখার কেউ নেই।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীরা জানান, এই রোড নিয়ে অনেক সময় আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আমরা এই রোড দিয়ে চলাচল করতে পারি না। বৃষ্টি হোক বা না হোক এই রোড ১২ মাসই ময়লা পানিতে তলিয়ে থাকে। আর বন্যা বা বৃষ্টি হলে তো আমাদের এলাকায় যেমন দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়। এই ড্রেনের ময়লা পানির কারণে আমাদের অনেক সময় রোগে আক্রান্ত হতে হয়।
আমরা এই রোড নিয়ে অনেক সময় অনেক প্রতিবাদ করেছি কিন্তু কোনো লাভ হয়নি আমাদের। আগে অনেকবার আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও অনেক নেতারা আশ্বাস দিয়ে গেছে কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আমরা অনেকবার অনেক ক্ষেত্রে শুনেছি দুইবার প্লান পাশ হয়ে টাকা এসেছে কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। দশ বছর যাবৎ শুনছি কাজ হবে হবে আর হয়না।
আমরা এখন কোনো দিক খুঁজে পাচ্ছি না মনে হচ্ছে আমাদের দেখার কেউ নেই। কিছুদন আগে সব সময়ের মতো এই বার ও শুনতে পেলাম প্লান পাশ হয়েছে প্রায় তিন মাসের ভিতরে কাজ হবে। এখন দেখি কি হয় কাজ হলে আমরা অনেক শান্তিতে থাকতে পারবো। আমাদের এই পশ্চিম মাসদাইর একটা শিল্প এলাকা এই এলাকার রোডের এমন অবস্থা এটা মোটে ও ঠিক না।
এনায়েত নগর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার শাহজাহান মাদবর জানান, এই রোড অনেক দিন যাবৎ এই অবস্থায় পরে আছে। আমরা অনেকবার এই রোড নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে বসেছি। কিছুদিন আগে শুনলাম প্লান পাশ হয়েছে কাজ হবে। কাদের মাধ্যমে প্লান পাশ হলো কিভাবে হলো এই বিষয়ে আমি আর কিছু জানি না এই বলে তিনি এড়িয়ে যায়।
এনায়েত নগর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো.আক্তার হোসেন জানান, এই রোড আমার ওয়ার্ডে পরে কিন্তু আমি এই রোড নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে অনেকবার কথা বলেছি। আমি আমার ওয়ার্ডের একটা প্লান পাশ করতে গিয়েছিলাম তখন এই বিষয়ে কথা বলে এসেছি। তারা একটু সময় চেয়েছিলো তার পর অনেক বার শুনলাম চেয়ারম্যান সাহেব কাজ করছে আশা করছি শিগগির্রই কাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদত হোসেন সাজনু ভূইয়া জানান, আমি শুনেছি এই রোডের টেন্ডার পাশ হয়েছে কিন্তু আমি শিউর না। এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে কয়েকবার করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। এন.এইচ/জেসি


