Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

অসাধু বালু ব্যবসায়ীদের কারণে ড্রেনের পানিতে নাকাল মানুষ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২২, ০৮:১৬ পিএম

অসাধু বালু ব্যবসায়ীদের কারণে ড্রেনের পানিতে নাকাল মানুষ
Swapno

 

 # কাশিপুরের বাঁশমুলি এলাকায় দূর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি; নৈমত্তিক সমস্যা


কাশীপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাঁশমুলি এলাকায় অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে ড্রেন বালু দিয়ে ভরাট থাকায় ড্রেনের ময়লা পানিতে ভাসছে এলাকাবাসী। প্রায় ২ থেকে ৩ বছর যাবৎ ১২ মাসই এই রোড ময়লা পানিতে ডুবে থাকে। এই রোড দিয়ে চলাচলকৃত সাধারণ মানুষ অনেক ভোগান্তিতে পড়ছে। আশেপাশের এলাকার বাসস্থানগুলোর ময়লার পানি এই ড্রেন দিয়েই অপসারিত হয়।

 


কিন্তু ড্রেন পুরোটা বালু দিয়ে ভরাট থাকায় পানি যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে এতে করে ময়লা পানিতে রাস্তা ডুবে যায়। এই ময়লা পানির দুর্গন্ধে এলাকায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে; এলাকায় বিভিন্ন ধরণের পানিবাহিত রোগ হচ্ছে। এই রোড নিয়ে সাধারণ মানুষ অনেক প্রতিবাদ ও করেছে কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি।

 


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ময়লা পানিতে রাস্তা ডুবে আছে। রাস্তার আশেপাশের বাড়ির ও দোকানগুলোর লোকেরা ময়লা পানির কারণে ভোগান্তীতে পড়ছেন। এই রোড দিয়ে নিয়মিত হাজার হাজার লোক যাতায়াত করে। এলাকার লোকেরা বিপদে পড়ে ময়লা দূর্গন্ধযুক্ত পানি মাড়িয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছে। 

 


পুরো ড্রেন বালু দিয়ে ভরাট;  ফলে  দূর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি মানুষের বাড়িতে প্রবেশ করছে। অসাধু বালু ব্যবসায়ীদের কারণে অতিষ্ট অত্র এলাকাবাসী। এ বিষয়ে এলাকাবাসীরা জানান, প্রায় ৩ বছর যাবৎ এই রোডে পানি জমে থাকে। কিছু অসাধু বালু ব্যবসায়ী আছেন যারা নিয়মিত এই রোডের ড্রেনগুলোর উপরে বালু রাখে পরে বালু ভিতরে যেতে যেতে ড্রেন ভরাট হয়ে যায়।

 

আমরা এলাকাবাসীরা মিলে অনেকবার এলাকার বাড়ি বাড়ি থেকে টাকা তুলে এই বালু ও ময়লা পরিষ্কার করেছি কিন্তু ৩ থেকে ৪ দিন না যেতেই আবার ড্রেন ভরাট হয়ে যায়। আবার ময়লা পানি উপরে চলে আসে। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে আমরা জিম্মি হয়ে পড়েছি।

 

 

এই বালু দিয়ে ভরাট হতে হতে সামনে একটা ছোট ব্রিজের নীচে কালভার্ট আছে যেখান দিয়ে এই পানিগুলো নামার জায়গা। কিন্তু আস্তে আস্তে বালু দিয়ে ওই কালভার্ড ও ভরে যাচ্ছে। এখনই যদি বালু ব্যবসায়ীরা সতর্ক না হয়; তাহলে সামনে এই রোড ও এলাকার অবস্থা আরো করুণ হবে।

 

এ বিষয়ে কাশিপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার শামীম আহম্মেদ জানান, ‌‘এই রোডের পানিটা মূলত জমে থাকে বালু দিয়ে ড্রেন ভরাট থাকার কারণে । এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা ড্রেনের উপরে বালু রেখে। ড্রেন ভরাট করে ফেলে। এ জন্য আমি এই রোডের মেইন মাথায় ২টি গেইট লাগিয়ে ছিলাম কিন্তু কিছু সন্ত্রাসী বালু ব্যবসায়ীরা রাতারাতি গেইট ভেঙ্গে ট্রাক ভিতরে ঢুকিয়ে আবার বালু রাখা শুরু করে।’ 

 

‘এই সন্ত্রাসীরা এই রোডের মেইন মোড় থেকে একটি গেইট খুলেও নিয়ে গেছে। আমি এ বিষয় নিয়ে সামাজিকভাবে বসেছি ,মাইকিং করেছি, থানা পুলিশের কাছে গিয়েছি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। এই এলাকার স্থানীয় মানুষগুলো সন্ত্রাস টাইপের।’

 


‘আমার তো এলাকায় এমন ক্ষমতা নাই যে তাদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করবো। আমি এই অসাধু ব্যবসায়ীদের সকাল ৭টার ভিতরে এই রোড থেকে বালু চাপিয়ে ফেলতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা কোনো কথাই মানে না; তারা এই বালু এক সপ্তাহে ও নেয় না। এই রোড দিয়ে নিয়মিত হাজার হাজার লোক চলাচল করে থাকে। এই রাস্তার ময়লা পানির কারণে তাদের অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’ এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন