Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ফতুল্লায় সরকারি খালগুলো ময়লার স্তূপে পরিণত, জনস্বাস্থ্য হুমকিতে

Icon

সাদ্দাম হোসেন শুভ

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৩৯ পিএম

ফতুল্লায় সরকারি খালগুলো ময়লার স্তূপে পরিণত, জনস্বাস্থ্য হুমকিতে
Swapno

 


অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলায় ফতুল্লার পাগলা, নয়ামাটি, শাহী বাজার, আমতলা, নন্দলালপুর থেকে স্টেডিয়াম সড়কের পাশের খালটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। ইতোমধ্যে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে পাগলা স্কুলের রাস্তার অপরপাড়ে বৈরাগী বাড়ী, ইসলামিয়া বাজার ও নন্দলালপুরের খালটিতে স্থায়ী বাঁধ তৈরি হয়েছে। মূলত বাজারের সমস্ত ময়লা আবর্জনা ও স্থানীয়দের বাসা-বাড়ির ময়লা-আবর্জনা এখানে ফেলা হচ্ছে নিয়মিত। এতে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে খালটি।

 

ময়লার স্তূপ এমন আকার ধারণ করেছে যে, সেখানে এখন আর পানি প্রবাহ দূরের কথা যেন নালায় পরিণত হয়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। যদিও বেশ কয়েকজন জানালেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান না থাকায় বাধ্য হয়ে সবাই খালে এবং বিভিন্ন খালি জায়গায় ময়লা ফেলছেন। এছাড়াও ইসলামিয়া বৌ-বাজারের পূর্বদিকে অবস্থিত কাচা মালের আড়তের সমস্ত ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এ খালে। এ সমস্ত ময়লা আবর্জনার কারণেও খালগুলো এখন ভরাট প্রায়। দ্রুত খালগুলো সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে খালগুলো বিলীন হয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয়রা জানান, আগে এইসব খাল দিয়ে বড় বড় নৌকা চলাচল করতো এখন তো ডিঙি নৌকাও চলা সম্ভব না। তাছাড়া এলাকার মানুষ ময়লা ফেলার কোনো নির্দিষ্ট স্থান না পেয়ে এইসব জায়গাতে দীর্ঘদিন ময়লা ফেলার কারণে খালগুলো আজ মৃতপ্রায়। এছাড়াও আরও বেশকিছু কারণ উল্লেখ করেন তারা। তারা জানান, দোকানপাট, বাসা-বাড়ী ও অফিসের সকল ময়লা, প্লাস্টিক ও আবর্জনা খালেই ফেলা হচ্ছে। এতে করে যেমন খালের পানি দূষিত হচ্ছে তেমনি খালগুলো স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

 এ বিষয়ে সচেতন মহলের অনেকেই বলেন, খালগুলোর মা-বাবা আছে কি না- সেটা নিয়েই আমাদের সন্দেহ রয়েছে। অতীতে বড় বড় নৌকাযোগে আমরা এই খাল দিয়ে আসা-যাওয়া করেছি। কিন্তু বর্তমানে খাল মৃতপ্রায়। স্বাভাবিকভাবে এটা হওয়ার কথা না। শুধু যে ময়লা ফেলা হচ্ছে তা নয়, খালের উপরে ব্রিজ তৈরি করে খালের দুই পাশকে সংকুচিত করা হয়েছে। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। খাল রক্ষায় আমরা জেলা প্রশাসক, সড়ক বিভাগ, পরিবেশ অধিদফতর ও এলজিইডিসহ সকলের সম্মিলিত সুদৃষ্টি কামনা করছি।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন