ফতুল্লার শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আক্তার ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার
ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৫৮ পিএম
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আক্তারকে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফী মামলায় গ্রেপ্তার করেছে কদমতলী ডিএমপি থানা পুলিশ। সোমবার (২৯ আগস্ট ) কদমতলী ডিএমপি থানাধীন জনতাবাগ এলাকার এক সন্তানের জননী (২৯) বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ৯(১) ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফী ৮(১)/৮(২)/৮(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন (যাহার মামলা নং-৪৮)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা থানাধীন পাগলা দেলপাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আক্তার (৩৩) এর সাথে এক সন্তানের জননী (২৯) এর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে সেই নারীর সহিত সুসম্পর্ক গড়ে উঠে।
শুরু হয় নারীর বাসায় যাতায়াত, সেই সুবাদে নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। কিলার আক্তার সেই নারীর অজান্তে আপত্তিকর ছবি ও গোপনে ধর্ষণের ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে তাদের সম্পর্কের অবনতি হলে, ধারণকৃত আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দিয়ে নারীকে ব্ল্যাকমেইল করে বিভিন্ন সময় নারীর কাছথেকে ২৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নেয়।
বিভিন্ন সময় আপত্তিকর ছবি ও গোপন ধারণকৃত ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার কথা বলে নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন এবং নারীর আত্মীয় স্বজনদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফেসবুক, ইমু আইডিতে গোপনে ধারণকৃত আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, আক্তার থেকে কিলার আক্তার হয়ে উঠার বিভিন্ন অজানা কাহিনী রয়েছে; তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রসুলপুর এলাকায় চাকদা স্টিল এন্ড রোলিং মিলের দারোয়ান হুজুর হত্যা, ২০০৯ সালে মুসলিম নগর এলাকায় গুলি করে বাংলালিংক কোম্পানির টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে পিস্তলসহ গ্রেফতার।
২০০৯ সালে পাগলা এলাকায় হাবিবুল্লা ও মীর হোসেন মীরুকে গুলি করে হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক গুমখুনে জড়িয়ে পড়ায়; সে কিলার আক্তার হিসেবে পরিচিত হয়ে যায়।
কদমতলী ডিএমপি থানার অফিসার ইনচার্জ প্রলয় কুমার সাহা জানান, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ও পর্নোগ্রাফী আইনে মামলায় আসামি কিলার আক্তারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।’ এন.এইচ/জেসি


