ত্রিশ বছর পর পুলিশ সদস্য হত্যা মামলার আসামী রূপগঞ্জে গ্রেফতার
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:১৬ পিএম
এক চরমপন্থীকে ছিনিয়ে নিতে প্রায় তিন যুগ আগে নাটোরের গুরুদাসপুর থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুট ও এক কনস্টেবলকে হত্যা করেছিলেন সাইফুল ইসলামের সহযোগীরা। পরে ওই মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের শাস্তি দেয়া হয়।
অবশেষে তিন দশক ধরে পলাতক থাকার পর গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।
র্যাব জানায়, থানা লুট ও কনস্টেবল খুনের ঘটনায় ১৯৮৯ সালে সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। জামিনে বেরিয়ে তিনি ৩০ বছর ধরে ছাত্তার নামে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৮৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে চরমপন্থীরা গুরুদাসপুর থানায় প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে নিয়ন্ত্রণ নেয়।
এ সময় কনস্টেবল হাবিবুর রহমান বাধা দিলে চরমপন্থীরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে অস্ত্রাগার লুট করে। সেখান থেকে দুটি এসএমজি, ৪টি এসএলআর, ১৮টি ৩ পয়েন্ট ৩ রাইফেল ও গোলাবারুদ লুটের পাশাপাশি বন্দী চরমপন্থী আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। ২০০৭ সালে ওই মামলার রায়ে সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।
তিনি আরও জানান, সাইফুল দলের সঙ্গে আবারও হত্যা, লুটপাট, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। দলের নেতা তারেকের সঙ্গে তিনি নৌকায় বিলের মধ্যে অবস্থান করতেন। ওই সময় সশস্ত্র অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় নৌকার মধ্যেই জীবন যাপন করত চরমপন্থীরা। এন.এইচ/জেসি


