Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

রূপগঞ্জে সড়কের পাশে আবর্জনার স্তূপ, ভোগান্তিতে পথচারীরা

Icon

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৫২ পিএম

রূপগঞ্জে সড়কের পাশে আবর্জনার স্তূপ, ভোগান্তিতে পথচারীরা
Swapno


রূপগঞ্জে ব্যস্ততম দুটি সড়কের পাশে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা জড়ো করা হচ্ছে। ঢাকা-সিলেট ও এশিয়ান হাইওয়ে (বাইপাস) সড়কের ১৫ থেকে ২০ স্থানে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এতে করে দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারীরা। স্থানীয়রা জানান, সড়কে আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত ডাম্পিং পয়েন্ট না থাকায় রাস্তার পাশে যেখানে সেখানে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। এসব বর্জ্যের উৎকট গন্ধ বাতাসে মিশে পরিবেশ দুষিত হচ্ছে।

 

ওইসব এলাকায় মশা-মাছিসহ পোকা-মাকড়ের উপদ্রব বেড়ে গেছে। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলায় হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ। পথে ময়লার ভাগাড় জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। দুর্গন্ধে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলরত পথচারীদের নাকে রুমাল চেপে চলাচল করতে হয়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকার বিসমিল্লাহ সবজির আড়ৎ, গাউছিয়া মাছের আড়ৎ, তাঁতবাজার, রেস্টুরেন্ট, ফুটপাত ও মার্কেটগুলোর ময়লা-আবর্জনা প্রতিদিন ভ্যানে করে ঢাকা-সিলেট ও এশিয়ান হাইওয়ে (বাইপাস) সড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। উপজেলার রূপসী, বরপা, বরাব, বিশ্বরোডসহ যেসব স্থানে ময়লা ফেলা হয়, সেখানে রয়েছে বাস স্ট্যান্ড। ময়লার দুর্গন্ধে বাস স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

 

জাহাঙ্গীর মাহমুদ নামের এক পথচারী বলেন, আমার বাড়ি উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ক্যানাল এলাকায়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গোলাকান্দাইল এলাকায় বাংলাকেটের পাশে ময়লার স্তূপের কাছ দিয়ে প্রতিদিন আসা যাওয়া করতে হয়। দুর্গন্ধে নাক চেপেও হাঁটা দায়।

 


আবুল বাসার নামে ভৈরব থেকে আসা এক যাত্রী বলেন, বাড়ি থেকে এসেছি নোয়াপাড়া এলাকায় ভাইয়ের কাছে যাব বলে। আমি তারাব বিশ্বরোড বাস স্টেশনে নেমে দুর্গন্ধে বমি করে দিয়েছি। আমার মতো অনেকে এ স্টেশনে দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

 


ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী হোসনে আরা বলে, মহাসড়কের পাশে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা আবর্জনার স্তূপের উৎকট গন্ধে স্কুলে যাতায়াত কষ্টকর হয়ে পড়ে।

 


উপজেলার হলিচাইল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ তাইজুল ইসলাম বলেন, রাস্তার পাশে ময়লার দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করছে। উভয় মহাসড়কের দুপাশ পরিচ্ছন্ন থাকলে ছাত্র-ছাত্রীসহ এসব সড়কে চলাচলকারীদের জন্য সুবিধা হতো।

 



গাউছিয়া মাছের আড়তের সভাপতি নিবা দাস বলেন, লোকজন এখানে ময়লা ফেলে তাই আমরাও ফেলি। দুর্গন্ধে আমাদেরও সমস্যা হচ্ছে। মহাসড়কের পাশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ নিয়ে কথা হয় গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান তুহিন বলেন, কয়েকদিন পর পর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহাসড়কের দুপাশ ও ফ্লাইওভারের নিচে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে।

 

কিন্তু কয়েকদিন পরে আবার একই অবস্থা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল হক বলেন, মহাসড়কে আবর্জনার স্তূপ অপসারণে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ হবে। এসব সড়কে চলাচলকারী পথচারী ও যাত্রীগণের সমস্যা সমাধানে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন