পাগলায় মাদক ব্যবসায়ীদের মারধরের শিকার অটোপার্স ব্যবসায়ী
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২২, ১০:১৬ পিএম
ফতুল্লার পাগলায় চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে গিয়ে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মারধরের শিকার হয়েছেন, রনি নামে এক অটো পার্সের ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রী ছেলে। শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ ঘটিকার সময় পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার আলী হাজীর ইটের খোলার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার আহত রনির স্ত্রী পপি আক্তার (২৮) বাদী হয়ে, পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নিশাদ (২৬), দেলোয়ারের ছেলে শান্ত (৩০), কালু মুন্সীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৫৫), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সজীব (২৫), জুয়েল (৩৫), হাফিজের ছেলে খোরশেদ (৪৫) কে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১ ঘটিকার সময় রনি মটরস নামীয় অটো পার্সের দোকান তালা বন্ধ করে বাসায় চলে যায়। সকালে সংবাদ পায় তার দোকানে চুরি হয়েছে। সংবাদ পেয়ে দোকানে এসে দেখে যে, তাহার দোকানে থাকা ১১ কেজি তামার তার, ৮০ কেজি লোহা, ১টি বাইসাইকেল চুরি হয়েছে।
পরবর্তীতে লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদে ও পরস্পর জানতে পারে, উক্ত আসামিরা টিনের ফাঁকা দিয়ে দোকানে প্রবেশ করে এবং যাবতীয় মালামাল চুরি করে। এমতাবস্থায় উল্লেখিত আসামিদের নন্দলালপুর অলী হাজীর ইটের খোলার সামনে পেয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রনি ও তার স্ত্রী, ছেলে মারধর শুরু করে এবং নিশাদের সাথে থাকা চাকু দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে।
রনির স্ত্রী ও ছেলে তাদের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করিলে, তাদেরও মারপিট করে এবং পড়নের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত অত্র এলাকায় মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি করে আসছে তারা। তাদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গেছেন এলাকাবাসী। তারা আবার ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের সোর্স হিসেবেও পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলে না মিথ্যা মামলার ভয়ে। তাদের কথায় নাকি থানা পুলিশ, র্যাব চলে। যখন তখন যে কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিতে পারে। এন.এইচ/জেসি


