Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

শিমরাইল মোড়ে সরকারি জায়গায় দোকান বসিয়ে রানার চাঁদাবাজি

Icon

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৪৬ পিএম

শিমরাইল মোড়ে সরকারি জায়গায় দোকান বসিয়ে রানার চাঁদাবাজি
Swapno


সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় হাজী আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে ও পিছনে সরকারি জায়গায় দোকান পাট বসিয়ে চাঁদাবাজি করছে রানা। মার্কেট মালিক হাবিবুল্লা হবুলের ভাতিজা ও বর্তমান পরিচালক রানার চাঁবাজিতে ক্ষুব্দ হয়ে উঠেছে শতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।  

 

 

অভিযোগ জানা গেছে, আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পশ্চিম ও দক্ষিণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জায়গা রয়েছে। মার্কেট মালিক হাবিবুল্লাহ হবুলের ভাতিজা রানা সরকারি জায়গা নিজের দাবি করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পজিশন বিক্রি করে দৈনিক ১০০ টাকা জমিদারি ভাড়া ও ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

 

 

সামনের অংশ সওজ কর্তৃপক্ষ বার বার উচ্ছেদ করলেই রানা সওজ কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করার কথা বলে দোকান প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে ফের বসায়। দক্ষিণ পাশে ডিএনডি পানি নিস্কাসন খালের পাড়ের দোকানপাট সেনা বাহিনী উচ্ছেদ করলেও রানা আবার দোকান বসিয়েছে।

 

 

এসব দোকানের নিত্যদিনের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে ডিএনডি পানি নিস্কাসন খালে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে পানি চলাচল। রানা প্রভাবশালী হওয়ায় তার চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা কেহ। রানার কাছ থেকে সরকারি জায়গা কিনে বহু ব্যবসায়ী নিঃশ্ব হয়েছে। মালিকানা জায়গা মনে করে বিলাসবহুল দোকান নির্মাণ করার পর উচ্ছেদের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রহস্থ হয়েছে বহু ব্যবসায়ী।  

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ফুটপাত ব্যবসায়ী ক্ষোভের সাথে অভিযোগ জানান, পজিশন কিনার সময় রানা নিজের জায়গা দাবি করেছিল। পড়ে উচ্ছেদ করার পর জানতে পারি এসব জায়গা সরকারি। তখন রানার কাছে টাকা ফেরত চাইলেও দেয়নি। তবে যার যার কিনা পজিশনে খোলা আকাশের নিজে বসে ব্যবসা করতে বলে।

 

 

টিন বা পলিথিন দিয়ে খুপড়ি ঘর করতে হলে সওজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে হবে বলে টাকা নেয়। যতবার উচ্ছেদ হয় ততবারই আবার বসার জন্য টাকা দিতে হয়। এছাড়াও দৈনিক ১০০ টাকা করে জমিদারি ভাড়া দিতে হয় রানাকে। অন্যতায় বসতে দেয়না। থানা পুলিশ ম্যানেজ করার কথা বলে নেয় দৈনিক ১০০ টাকা।

 

 

মার্কেটের তিন পাশে প্রায় ৭০/৮০ টি দোকান থেকে দৈনিক ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা চাঁদা নিচ্ছে রানা। এবিষয়ে রানা চাঁদাবাজির অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে বলেন, আমার বাপ দাদার কাছ থেকেই সরকার এজায়গা একুয়ার করে নিয়েছে। আমাদের মার্কেটের সীমানার জায়গা সরকারি হলেও তা ভোগদখল করার অধিকার আমার। তাই দোকানদারদের কাছ থেকে ভাড়া হিসেবে মাসে ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন