# প্রশাসনের গাফিলতি বলে ক্ষোভ নগরবাসীর
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে সবসময় নেতিবাচক ঘটনাতেও আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ । বেশ কিছু দিন ধরে সেই আলোচনায় উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জ চার আসনের এমপি একেএম শামীম ওসমানের নির্বাচনী এলাকা ফতুল্লা মডেল থানায় আইনশৃঙ্খলা অবনতির কারণে।
এ সকল ঘটনার মূলে রয়েছে রাজনৈতিক ভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং মাদক ব্যবসা ও কিশোর অপরাধীদের দৌরাত্ন্য। নারায়ণগঞ্জের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার জিরো টলারেন্সের কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত বড় কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সম্প্রতি ফতুল্লা থানার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন গ্রুপ । মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রায় সময় ঘটছে মারামারিসহ হত্যাকাণ্ডের মত ঘটনা।
মাদক বিক্রির মধ্যে অন্যতম হলো ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় রেল লাইন থেকে শুরু করে ফতুল্লা পর্যন্ত এলাকায় রয়েছে বেশ কিছু মাদকের স্পট যার জন্য কিছুদিন পর পরেই ঘটছে হত্যাকাণ্ড তাদের মধ্যে আলোচিত হয়েছে, ফতুল্লা ইসদাইর নুর ডাইং এর পিছনের মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে হত্যা করে মামুন (২২) , ইসদাইর রাবেয়া স্কুলের সামনে কিশোরগ্যাংয়ের ছুরি আঘাত করে হত্যা করে ১০ম শ্রেণির ছাত্র ধ্রুব চন্দ (১৫), ইসদাইর রেল লাইন গ্যাস ব্যবসায়ী শামীমকে (৩০) মাদক ব্যবসায়ীরা কুপিয়ে হত্যা
ফতুল্লা মুসলিম নগর নয়াবাজার এলাকায় ত্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে চায়ের দোকানে রবিন (১৮) কে পিটিয়ে ছুরি আঘাত করে হত্যা, দেওভোগ শেষ মাথায় খালি মাঠে ইমন হত্যার প্রতিশোধ নিতে পরিল্পিত ভাবে মেহেদিকে (২৩) কে বুকে ও পিঠে ছুরি আঘাত করে হত্যা করে, ১ আগষ্ট চাষাঢ়া চানমারী এলাকায় মাদক ব্যবসা কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারিতে প্রাণ হারায় সজীব নামে এক কিশোরসহ ফতুল্লার আরো অনেকে।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ এ শীতলক্ষ্যায় নদীতে ও পুকুরে এবং ডোবায় কিছু দিন পরে পরেই ভেসে উঠে লাশ যার মূল কারণ হচ্ছে মাদক ব্যবসা ও কিশোরগ্যাং এবং আধিপত্য বিস্তার।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, পুলিশ প্রশাসন এর ব্যর্থতার কারণে এসব হচ্ছে। তাদের কাজের সাথে কথার কোন মিল নাই।
তারা কয়জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে? যাদের ঘরে ছেলে-মেয়ে আছে তারা মাদক নিয়ে এখন চিন্তায় আছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পুলিশ, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। তাদের সকলের উচিত সমাজ রক্ষা করার জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণে আনার।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আমির খসরু যুগের চিন্তাকে বলেন, আমি আগে ওসির সাথে কথা বলি তার পরে আপনার সাথে কথা বলবো বলে ফোনটি কেটে দেন।


