Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

মাদক নিয়েই খুনোখুনিতে অশান্ত ইসদাইর

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:১৪ পিএম

মাদক নিয়েই খুনোখুনিতে অশান্ত ইসদাইর
Swapno

 

 

একের পর এক খুন ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন এবং কিশোরগ্যাংদের পালন তিন বাহিনীর নিয়ন্ত্রন যার মূলে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ শহরের অন্যতম মাদকের আস্তানা ইসদাইর রেললাইনের মাদক ব্যবসায়ী সীমা বেগম ও তার দুই ছেলে। তাদের নামে র‌্যাব ১১, নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ, ও সদর থানা, ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা ও মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

 

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, ইসদাইর রেললাইন এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সীমা বেগম লালন পালন করে এলাকায় যুব সমাজে কিশোরদের। তাদের মাদকসেবী বানিয়ে তাদের হাতে তুলে দিয়েছে বিভিন্ন রকমের দেশীয় অস্ত্র। যার ভয়ে মাদক ব্যবসাতে কেউ স্থানিয়ে কেউ বাধা দিতে আসে না আর যারা আসে তাদের কে সীমার পালন করা কিশোরগ্যাং এর হাতে হতে হয় নানা ধরনের হয়রানী।

 

গত ৫ ডিসেম্বর ইসদাইরে চায়ের দোকানে বড় ভাই ছোট ভাই নিয়ে ঝামেলা হলে নূর ডায়িংয়ের পিছনের মাঠে নিয়ে হত্যা করে মামুন নামে এক যুবকে কারন তিনি বেশ কয়েক বার মাদক সেবন করতে বাধা দেওয়াই হলো তার দোষ। এ হত্যা কান্ড ঘটায় সীমা বেগম এর দুই ছেলে যারা মামুন হত্যার ৪/৫ নাম্বার আসামী এবং মাদক ব্যবসায়ী সীমা বেগম হলো তার ১৬ নাম্বার আসামী যার কথায় চল ইসদাইরে কিশোরগ্যাং।

 

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পালিয়ে বেরাচ্ছে তারা। রেললাইন এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ইসদাইর বাজার এর সামনে ৬ মার্চ দোকানে ঢুকে গ্যাস ব্যবসায়ী মামুন (৩০) কে দিনের বেলায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে মাদক ব্যবসায়ীরা তার মূলে সীমা বেগম ও তার বাহিনীর সদস্যরা। এঘটনায় মামলা হলে কিছু আসামী গ্রেফতার হলেও বাকিরা এখনো অধরা রয়েছে।    

 

সূত্র বলছে, সীমা বেগম এর কিশোরগ্যাং এর হাতে প্রাণ হারাতে হয় ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র ধ্রুব চন্দকে। ১৬ মে ফোন করে ডেকে আনে স্কুলে সামনে তার পরে কিশোরগ্যাংরা মিলে হত্যা করে পেলে রেখে চলে যায় তারা তার সিসি টিভির ভিডির দেখে তাদের শনাক্ত করা হয়।

 

স্থানীয়রা বলছে, সীমার জন্য এখন আমাদের ছেলেদের বাহিরে বের হতে দিতে ভয় করে কারণ কখন জানি আমার ছেলে হাতেও মাদক দেখতে পাই। কারণ  সীমা বেগম তো পুরো ইসদাইর এলাকায় এখন মাদকের হাট বানিয়ে ফেলেছে হাত বারালে পাওয়া যাচ্ছে মাদক যার জন্য এলাকয় যুব সমাজ এখন নষ্ট হয়ে গেছে। মাদক নিয়ে ইসদাইর এলাকায় যেভাবে মামারারি হচ্ছে সামান্য মাদক নিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে বসে থাকে তারা। আমরা এখন সব সময় ভয়ে থাকি আমরা প্রশাসনের কাছে আমাদের যান মালের নিরাপত্তা চাই ।

 

এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, আমরা তাকে  গ্রেফতারের চেষ্টা করছি আমাদের টিম কাজ করছে। সীমাকে যে ধরিয়ে দিবে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন