ফতুল্লার আলীগঞ্জে প্রকাশ্য দিবালোকে বাসা থেকে টেনে হিচড়ে শারমিন আক্তার নামে এক নারীকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর দুইটার দিকে ফতুল্লা থানার আলীগঞ্জ রেললাইন এলাকায়। এ ঘটনায় অপহৃত শারমিনের বড় বোন শাহিনুর বাদী হয়ে ঘটনার পরপর ফতুল্লা মডেল থানায় লেবার সর্দার বাছেদ সর্দার সহ তিন জনের নাম উল্লেখ্যকরে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এসময় তুলে নিতে বাধা দিলে আহত হোন অপহৃত শারমীনের বড় বোন শাহিনুর। অভিযোগকারী ঐ নারী জানান বাছেদ সর্দার এর আগেও দুইটি বিয়ে করেছে, তার চারটি সন্তান ও দুইটি স্ত্রী রয়েছে।যা আমাদের কাছে গোপন করা হয়েছিল। আমার বোন তাকে স্বেচ্ছায় তালাক প্রদান করেছে আর এই কারনেই বাছেদ সর্দার লোকজন নিয়ে এসে আমার বোনকে নামাজরত অবস্থায় টেনে-হিচরে, বিবস্ত্র করে তুলে নিয়ে গেছে। ভুক্তভোগী নারীর বাবা একজন রিকশাচালক, সেই দরিদ্রতার সুযোগ নিয়েই বাছেদ সর্দার তাকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে বিয়ে করে বলেও জানান শাহিনুর।
শাহিনুর ও তার মা আরও জানান আমার মেয়েকে মারতে মারতে তুলে নিয়ে গেছে, সে এখন কি অবস্থায় আছে, কোথায় আছে আমরা জানিনা, বেঁচেই আছে নাকি মারা গেছে তাও জানিনা। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে জানতে পেরেছি অপহৃত নারী শারমীন এবং অভিযুক্ত বাছেদ সর্দার একাধিক বিয়ে করেছে। বাছেদ সর্দারের তৃতীয় স্ত্রী হচ্ছে শারমীন। তবে শারমীনের পরিবারের দাবী ২ - ৩ দিন পূর্বে বাছেদ সর্দার কে শারমীন ডিভোর্স দিয়েছে।
তিনি আরো জানান, বিষয়টি গুরত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অপহৃত শারমীন কে উদ্ধার সহ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে। শারমীন কে উদ্ধার করার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে তিনি জানান।
এস.এ/জেসি


