# তার নানা অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলছেন স্থানীয়রা
গত ৬ জানুয়ারি শুক্রবার বন্দরে জাতীয় পার্টির কার্যালয় উদ্বোধনকালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমানের খান সাহেবকে (খান মাসুদকে) কেন্দ্র করে দেওয়া বক্তব্যটিকে খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।
সেই বক্তব্যের সাথে সংগঠনগুলো সহমত পোষণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব গুরুত্বের সাথে প্রচার করছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ যুবলীগ সমর্থক গোষ্ঠী এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে একটি পোস্ট দেয়। সেই পোস্টটিকে আবার শেয়ার করে ‘কলাগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ বন্দর নারায়ণগঞ্জ’, ‘ছাত্রলীগ সমর্থক গোষ্ঠী’সহ আরও বেশ কয়েকটি পেজ।
বাংলাদেশ যুবলীগ সমর্থক গোষ্ঠীর ফেসবুক পেজে ‘কথিত যুবলীগ নেতা কুখ্যাত সন্ত্রাসী চাদাবাজ খান মাসুদের সব অপকর্ম ফাস করলেন সাংসদ জননেতা এ কে এম সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জ ০৫’ শিরোনামে পোস্টটি দেওয়া হয়।
সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ যুবলীগ সমর্থক গোষ্ঠী তাদের ফেসবুক পেজে গত ৮ জানুয়ারির পোস্টে লেখেন- ‘বন্দরের নানা অপরাধের হোতা ভূমিদস্যু, অটোসহ পরিবহন সন্ত্রাসী, পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই, খুন, জেনারেটর ব্যবসার অন্তরালে পুরো বন্দর ঘাট এলাকায় প্রতিদিন লাখ টাকা চাঁদা আদায়কারী আমিন ও রূপালী আবাসিক এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, বিশাল মোবাইল চোর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ অসংখ্য মামলার আসামী খান মাসুদ এখন নিজেকে জনদরদী বলে প্রচার চালায়।
একই সাথে খান মাসুদের নিয়ন্ত্রিত সন্ত্রাসী মাসুম ওরফে মেতরা মাসুম, বিশেষ পেশার নামধারী ডালিম পুরো বন্দর ও শহরের নদীর পারের বিশাল মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। একই সাথে খেয়াঘাটে যাত্রী ছাউনিসহ পুরো এলাকা দখলের পর অস্থায়ী ভিত্তিতে দোকান করে নিম্নে ১০ হাজার আর উর্ধে ২০ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে দখলের পাশাপাশি চাঁদাবাজির রাম রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে বছরের পর বছর যাবত।’
একই পেজে আরেকটি পোস্টে লেখেন ‘ব্রেকিং নিউজ’ ‘বন্দরে খান সাহেব লুটতরাজ করছে’, মাননীয় সাংসদ জননেতা একেএম সেলিম ওসমান সাহেব তার নিজের মুখেই বয়ান করলেন, কুখ্যাত অপরাধী ও কুখ্যাত সন্ত্রাসী কতিথ যুবলীগ নেতা খান মাসুদের কথা। বন্দরবাসি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
উল্লেখ্য, একেএম সেলিম ওসমান সেই বক্তব্যে বলেন, “বন্দরে সন্ত্রাস ছিল না, পুনরায় সন্ত্রাস বেড়ে উঠেছে। এমন কোন মানুষ নাই যার কাছে চাঁদা দাবি করা হয় না। বেবি ট্যাক্সি, রিকশাওয়ালা, ডিস ব্যবসায়ী বলেন, কোন এক খান সাহেব এখানে লুটতরাজ চালাচ্ছেন।
আমি কোন দল বুঝি না, ভালবাসা বুঝি না, ছোট ভাই বুঝি না, বড় ভাই বুঝি না, বাপ বুঝি না, আমি যদি জীবিত থাকি, বন্দরের মানুষ যেমন গতবছরও নিশ্চিন্ত ছিল, এখনও নিশ্চিন্ত থাকবে। কোন রকমের সন্ত্রাস অন্তত বন্দরে থাকবে না। বন্দরে কিছু অবৈধ ক্লাব গড়ে উঠছে, আমি জানি কারা চালনা করেন।” এন.এইচ/জেসি


