Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

সাইনবোর্ডে র‌্যাব-পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:২৭ পিএম

সাইনবোর্ডে র‌্যাব-পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি
Swapno

 

# বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেটে জিম্মি মালিক-চালক

 

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়ক এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে লিংক রোড থেকে ঢাকা যেতে হলে সাইনবোর্ড দিয়েই যেতে হয়। আর এই ব্যস্ততম রোডটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় কয়েক লাখেরও বেশি লোকজনের চলাচল। শুধুমাত্র নারায়ণগঞ্জ থেকেই সাইনবোর্ড রোডে প্রতিদিন কয়েক হাজার অটো ,মিশুক ,সিএনজি চলাচল করে। আর এই সকল পরিবহনকে পুজি করে সাইনবোর্ড এলাকায় বেশ কয়েকটি চাঁদাবাজ ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এই চাঁদাবাজরা কয়েকটা সিন্ডিগেট হয়ে কাজ করছে।

 

এই সকল চাঁদাবাজরা শুধু নিজেদের প্রভাব খাটিয়েই নয় এখন তারা র‌্যাব ১১, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ও ফতুল্লা থানার পুলিশকে ম্যানেজ করার কথা বলে পরিবহন ও সাইনবোর্ড এলাকায় যে সকল হকার এবং অবৈধভাবে দোকানপাট রয়েছে তার প্রত্যেকটার থেকে ব্যাপকভাবে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে টাকা তোলা বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। বিশেষ করে এদের মধ্যে অন্যতম রহিম বাদশাহ, কবির, কালাম হাওলাদার, মাসুদ ওরফে কাইল্লা মাসুদের নেতৃত্বে এ সকল চাদাঁবাজরা মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

 

জানা যায়, সাইনবোর্ড এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক অটোরিকশা, সিএনজি স্টান্ড থেকে বাদশাহ, কবির, কালাম হাওলাদার, মাসুদ ওরফে কাইল্লা মাসুদ, প্রতিদিন অটো থেকে ১০ হাজার, সিএনজি থেকে ১৫ হাজার ফুটপাতের  দোকান থেকে ১০ হাজার সব মিলিয়ে এসব সেক্টর থেকে প্রতিদিন  সর্বমোট ৩৫ হাজার টাকা উঠায় তারা যা মাসে প্রায় দশ লাখেরও বেশি টাকা আদায় করছে।

 

আরএই চাঁদাবাজির কারণে এর আগে র‌্যাব ১১ এর হাতে  চাঁদাবাজ কবির, কালাম হাওলাদার ,বাদশাহ ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছিলো কিন্তু বেশ কিছুদিন পর আবার তারা জামিনে বের হয়েই শুরু করে দেয় সেই চাঁদাবাজি। এবার তারা নিজেদের নাম বিক্রি করে নয় প্রশাসনের কথা বলেও টাকা তুলছে।আবার এই সাইনবোর্ড মহাসড়কে ফুটপাত বলিয়ে দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। আর এই সকল অবৈধ দোকান থেকে প্রতিদিন ২০০ -৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে এবং তাদেরকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে দিচ্ছে এই সকল চাঁদাবাজরা।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন সিএনজি,অটোরিক্সা চালক জানান, আমাদের কাছ থেকে তারা প্রতিদিনই ১০০ টাকা করে নেয়। দীর্ঘদিন যাবৎ বাদশাহ কবির ও কাইল্লা মাসুদের নেতৃত্বে হয় এ সকল চাঁদাবাজি।তাদের এই চাঁদাবাজি এখন ভয়ঙ্কর পর্যায়ে পৌঁছে গেছে কোন ভাবেই থামানো সম্ভব হচ্ছে না। পুরো সাইনবোর্ড এখন পুরোদমে তাদের নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে সাইনবোর্ড সড়কে  চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকা রহিম বাদশার সাথে যোগাযোগ করা হইলে তিনি জানান, আমি কোন ধরণের চাঁদাবাজিতে জড়িত প্রমাণ দিতে পারে তাহলে আমি তাকে লাখ টাকা পুরষ্কার দেব।

 

এখন সাইনবোর্ডে কোন চাঁদাবাজি হয়না। আমাদের ইউনিয়ন সংগঠন আছে আর সেটা অনুমোদনের চেষ্টা চলছে। আমরা চাঁদাবাজদের পক্ষে না। এই সকল চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদও করেছি। আমরাও চাই এই সকল চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা হোক। এ বিষয়ে চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকা কবিরের সাথে যোগাযোগ করা করলে তিনি জানান, আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন আমাকে কেউ চিনে কিনা। সাইনবোর্ডের মধ্যে অনেকে করে আপনি তাদের খুঁজে পাবেন না। এ চাদাঁবাজির বিষয়ে জানতে প্রশাসনের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে বেশ কয়েকজনের সাথে  যোগাযোগ করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন