ক্রেতা নেই পাগলা বাজারে, ঘুমিয়ে সময় পার করছে ব্যবসায়ীরা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৩, ০৭:০০ পিএম
ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন মার্কেটে চলছে কেনাকাটার ধুম। শুধু তাই নয় নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়াসহ নারায়ণগঞ্জের আশে পাশের মার্কেট গুলোতে চলছে ক্রেতাদেরে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে ব্যবসায়ীরাও হিমসিম খাচ্ছে এবং রাস্তার মার্কেটের দুই পাশে ফুটপাতেও চলছে প্রচুর বেচাকেনা।
তবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর চার পাঁচ দিন বাকি কিন্তু এই ফতুল্লা পাগলা বাজরে বলতে গেলে একেবারেই ক্রেতা শূন্য এই ঈদের সময়েও ব্যবসায়ীরা একেবারে অলস সময় কাটাচ্ছে। পাগলা বাজারে সারা বছর তেমন বেচাকেনা না থাকলেও প্রতি বছর ঈদ আসলে ব্যবসায়ীরা খুব ভাল ভাবেই বেচাকেনা করে এই সময়টাতে কিন্তু এবছর ঈদ চলে আসলেও ব্যবসায়ীরা কোন বেচাকেনাই করতে পারছে না।
সরেজমিনে পাগলা বাজার গিয়ে দেখা গেল কোন ধরনের কাস্টমার নেই পাগলা মার্কেটে একেবারেই ফাঁকা ক্রেতা একেবারেই নেই বললেই চলে। আর তাই বেশিরভাগ দোকানীরা তার দোকানেই দিনের বেলাতেই ঘুমাচ্ছে। কেউ কেউ আবার দোকানের বাহিরে যেয়ে ঘোরাফেরা করছে আড্ডা দিচ্ছে। ব্যবসায় অবস্থা দেখে যা মনে হলো এবারের ঈদে দোকান মালিকেরা তারা তাদের কর্মচারীদের বেতন দিতেও কষ্ট হয়ে যাবে। ব্যাপক ভাবে লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে পাগলা বাজরের এক ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে ব্যবসায়ী জানায়, বিগত দিনে পাগলা বাজরে ব্যবসা মোটামোটি ভালোই ছিলো তবে হঠাৎ করে করোনা এসে আমাদের ব্যবসায়ীদের দু বছরেরও বেশি সময় কোন বেচাকেনা ছিলো না বেশিরভাগ সময়ই দোকান পাট বন্ধ থাকতো আর এই বন্ধ থাকার কারনে আমরা অনেক লোকসান গুনেছি। তবে করোনার শেষ হওয়ার পরেও আমাদের ব্যবসাটা সেই ভাবে করতে পারিনি এই এলাকার রাস্তাটির সমস্যার কারনে রাস্তা খারাপ থাকায় কেউ এই পাগলা বাজারে মার্কেটিং করতে আসতো না।
সর্বশেষ বেশ কয়েকদিন আগে এই রাস্তার কাজ শেষ হয় আমরা ব্যবসায়ীরা ভেবে ছিলাম হয়তো এবার আমাদের ব্যবসায়ীদের কপাল খুলবে কিন্তু ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও পাগলা বাজারে আমরা যারা ব্যবসায়ীরা আছি এই সময়টাতেও অলস সময় পাড় করছি এর কারণ কোন কাস্টমারেরই দেখা মিলছে না। আমরা প্রত্যেকটা দোকানদার লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে দোকানে মালামাল উঠিয়েছি এবং কর্মচারীও রেখেছি আবার দোকান ভাড়া যদি আমরা মালামাল বিক্রি করতে না পারি তাহলে এবারো আমাদের ব্যাপক ভাবে লোকসানের মুখ দেখতে হবে।
এস.এ/জেসি


