দল ও ইউনিয়ন পরিচালনার সক্ষমতা হারিয়েছেন চেয়ারম্যান বাদল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৩, ০৮:১২ পিএম
# ঘর থেকে বের হতে পারেন না, মুখ থুবড়ে পড়েছে উন্নয়ন
কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফ উল্লা বাদল অসুস্থতার কারনে একেবারেই স্থবির হয়ে পরেছে কাশীপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন। ঝিমিয়ে পরেছে এই ইউনিয়নের সামাজিক কর্মকান্ড। সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কাশীপুরের সাধারন মানুষ। এক কথায় সাইফ উল্লা বাদল অসুস্থতাজনিত কারনে শারীরিক ভাবে একেবারে অকেজো হয়ে পরেছেন।
তাই এলাকার উন্নয়নতো দূরের কথা সামাজিক বিচার আচারও করতে পারছেন না। তাই এলাকাবাসীর দাবি, তিনি যদি দায়িত্ব পালনে অপরাগ হন তাহলে যেনো তিনি পদত্যাগ করেন। কারন কাশীপুরের মতো এমন একটি জনবহুল ইউনিয়ন এভাবে চলতে পারে না বলে তারা মনে করেন। এদিকে কাশীপুর ইফনিয়নবাসী আরো জানান সাইফ উল্লা বাদল এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। তিনি তিনটি বাড়ি এবং বহু জমিজমার মালিক।
বিগত বহু বছর ধরে তিনি ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাই তিনি ফতুল্লার সকল সেক্টর থেকে মোটা অংকের টাকা পেয়ে আসছেন। তিনি কতো টাকার মালিক এবং তার সম্পত্তির পরিমান নিয়ে সঠিক একটি তদন্ত হলেই সত্য বেরিয়ে আসবে বলে অনেকে মনে করেন।
তাই তিনি এরই মাঝে যে পরিমান টাকার মালিক হয়েছেন তাতে তিনি পদত্যাগ করে বিশ্রামে গেলেও কোনো অভাব অনটন থাকবে না। তিনি তার বাড়িগুলি থেকে প্রতি মাসে প্রায় চার লাখ টাকা ভাড়া পান। তারপরেও তিনি পদ আকড়ে রয়েছেন। এই মুহুর্তে তিনি থানা আওয়ামী লীগ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকার মতো শারীরিক সক্ষমতা তার নেই।
তাই সাইফ উল্লা বাদল একদিকে যেমন তার দলের নেতৃত্ব দিতে ব্যার্থ হচ্ছেন অপরদিকে তেমনি তিনি যে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেই ইউনিয়ন পরিচালনায়ও ব্যার্থ হচ্ছেন। তাই সাইফ উল্লা বাদল কবে অবসর নেবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। কারণ জনগণের দায়িত্ব পালনে আবেগের কোনো স্থান নেই বলেই অনেকে মনে করেন। এন.হুসেইন রনী/জেসি


