ইসদাইরের ছিনতাইকারীদের হাতে দখলে শহর
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৩, ১২:৪২ পিএম
# শহরে ছিনতাইকারীদের সংখ্যা বেড়েছে দাবি ভুক্তভোগীদের
# আমাদের টহল পুলিশ ও সিভিল পৃুলিশ কাজ করে যাচ্ছে : ওসি সদর
নারায়ণগঞ্জ শহরে অন্যতম ডেঞ্জার জোন খ্যাত ইসদাইর রেললাইন এলাকা যা শহরের অন্যতম মাদকের হাট হিসাবেও পরিচিত। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরে চাষাড়া এলাকা দখল করে রেখেছে ইসদারের ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। কলেজ রোর্ড, চাষাড়া মহিলা কলেজ, চাষাড়া মোড়, শহীদ মিনারের সামনে ও খাজা মার্কেট এবং সোনালী ব্যাংক হলো তাদের মূল টার্গেট যাতে করে সাধারণ মানুষ চলে জীবনের তাগিতে আর তারা থাকে সাধারন মানুষ এর পকেট খালি করার চিন্তায়।
তাদের সহজ ট্যার্গেট বয়স্ক মহিলা কারণ খুব সহজে তাদের সাথে মিলে যায় এবং তাদের সাথে থাকা সব কিছু হাতিয়ে নিয়ে পারে। ছিনতাই কারীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছে বেশ কয়েক জন। রাত হলে আরো বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ শহরের চিত্র। ইসদাইর রেললাইনে থাকা বেশ কয়েকটি গ্রুপ আছে যারা এসব অপকর্মে জড়িয়ে আছে। তারা শহরে বিভিন্ন স্থানে একসাথে ৩/৪ জন মিলে ব্যক্তিদের টার্গেট করে ।
তারপরে তার পিছনে গিয়ে এক সাথে হাঁটে ও ব্যাট বা দেশি চাকু দিয়ে তাদের ব্যাগ কেটে সকল কিছু হাতিয়ে নেন। তবে গত এক মাসে শহরে বিভিন্ন স্থানে ১২/১৫ জন্য ছিনতাইকারীকে হাতে নাতে আটক করে জনতা মারধর করলে তারা শিকার করে বেশির ভাগ হলো ইসদাইর রেললাইন এলাকায় বসবাস করে তারা।
শহরকে ছিনতাই কারীদের হাত থেকে মুক্ত করার তেমন কোন ভুমিকা রাখতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন সাধারণ পথচারীরা। যার কারণে শহরের চাষাড়ার মত স্থানের প্রতিদিন ছিনতাইকারীদের হাতে সব হারাতে হচ্ছে অনেক মানুষকে। তাই ছিনতাই কারীদের হাত থেকে মুক্ত হতে চায় শহরবাসী।
চাষাড়া সোনালী ব্যাংক এর সামনে রুবেল নামে এক ব্যক্তি বলেন, বর্তমানে চাষাড়া দিয়ে চলাচল করতে খুব ভয় লাগে কারণ যেকোন সময় ঘটতে পারে একটি দুর্ঘটনা। আমরা চাই পুলিশ ছিনতাইকারীদের দিকে একটু বিশেষ নজর দিয়ে যাতে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, আমাদের টহল পুলিশ সব সময় কাজ করছে । আমার একটি হোন্ডা পার্টি চাষাড়ায় থাকে এবং আমাদের বেশ কিছু সিভিল পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে যাতে তারা কোন ভাবে এসব কাজ না করতে পারে।
এস.এ/জেসি


