Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ

Icon

সোনারগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৩, ০৬:১৬ পিএম

সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ
Swapno


সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড, ট্রলার, জেলে, নৌকাসহ বিভিন্ন নৌযান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার নৌ-ফাঁড়ি পুলিশ টহলের নামে ট্রলারে চেপে দীর্ঘদিন ধরে এই চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন ও পিরোজপুর ইউনিয়নের ফ্রেশ কোম্পানির এলাকায় নৌ-পুলিশ প্রতিদিন ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে।

 

 

বৈদ্যেরবাজার নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহিন’র কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চাঁদা আদায়ের বিঘয়টি অস্বীকার করেন। মেঘনা নদীতে গিয়ে বৈদ্যেরবাজার নৌ-ফাঁড়ি পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনায় ফ্রেশ কোম্পানির বরাবর নদীর মাঝখানে গিয়ে দেখা যায়, গেঞ্জি ও ফুল শার্ট পরিহিত একটি স্পিডবোর্ডে বালুবাহী বাল্কহেড থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।

 

 

দুই পুলিশ বিভিন্ন নৌযানে পাঁচশত থেকে শুরু করে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। ক্যামেরা দেখেই চাঁদা আদায়কারী দু’জনই দ্রুত স্পিডবোর্ড চালিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। এ সময় আশুগঞ্জ থেকে বালুবাহী বাল্কহেডের কুদ্দুস মিয়া জানান, তার কাছ থেকে পাঁচশ’ টাকা নিয়েছে ফাঁড়ি পুলিশ। শুধু আজকেই নয়, প্রতিনিয়ত মেঘনার এ স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। একই অভিযোগ বালুবাহী বাল্কহেড এমভি লিলির জামান, নাজমুল, জহিরসহ আরও অনেকের।

 


তারা জানান, প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত এই চাঁদাবাজি চলে। মেঘনার এলাকায় মাঝ নদীতে এলে তাদের চাহিদামতো চাঁদা আগে থেকে হাতে তুলে রাখতে হয়। তা না হলে পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হয়। এছাড়া ও কিছু দিন পূর্বে সোনারগাঁ থানার নুনেরটেক ঘাট থেকে ইঞ্জিন বাহী একটি মাছ ধরার ট্রলার ধরে নিয়ে আসেন পুলিশ কর্তৃক সোর্স বাহিনী দিয়ে এস আই শাহিন।

 


জানতে চাইলে, এস আই শাহিন বলেন, এটা এস পি স্যারের নির্দেশ আছে, তারা এই নৌকা যোগে চাঁদাবাজি করেছে পুলিশের কাছে তার ভিডিও ফুটেজ আছে বলে এস আই শাহিন জানান, কিন্তু সাধারণ জেলেদের প্রশ্ন, আদৌ কি এসপি ম্যাডাম এই বিষয়ে জানেন??নাকি ধান্দাবাজি করা, কিন্তু পরবর্তীতে জানা যায় ৫০ হাজার টাকার মাধ্যমে মাছ ধরার নৌকাটি রফা দফা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 


বৈদ্যের বাজার নৌ পুলিশ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোকাবেরুল হক জানান, এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, কিন্তু আদৌ কি মামলা হয়েছে? মামলা হয়নি টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাংবাদিককে টাকা দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করেন।  এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন