বন্দরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে লক্ষণখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুর আলম (৪১)কে পিটিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসী লিঠুগং। ২০ জুলাই দুপুরে বন্দর লক্ষণখোলা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। আহত নুরে আলম দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকার আব্দুল বাতেনের ছেলে। তিনি লক্ষণখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
এ ব্যাপারে নুরে আলম ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বন্দর থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন দক্ষিন লক্ষন খোলা এলাকার মৃত দাউদ মিয়ার ছেলে লিঠু (৫২), একই এলাকার সামসুল হক সামু (৫০), রিদয় (২৩), তুহিন(২৫), শাওন (২৬), শহিদ (৪২), ফেরদৌসি (৩৫)।
নুরে আলম জানান, বেশ কিছুদিন যাবৎ উল্লেখিত অভিযুক্তদের সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এ নিয়ে নানা সময়ে তারা আমাকে গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলো। আমি লোকলজ্জায় বিষয়টি হাসিমুখে উড়িয়ে দেই। কিন্তু এই শুত্রুতার জেরেই গত ১৯ জুলাই লক্ষনখোলা এলাকায় আমার বাড়ীতে অনাধিকার প্রবেশ করে ভাঙ্গচুর ও লুটপাট চালায়। আমি এতে প্রতিবাদ করলে ২০ জুলাই বিকালে বিবাদীরা আমার বাসার সামনে এসে আমাকে এলোপাথারি ভাবে কিলঘুষি লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটাইয়া নীলাফুলা জখম করে।
হামলাকারীরা আমাকে মারপিট করার সময় আমার ছাত্রীর মা রিতা বেগম মোবাইলে ভিডিও ধারন করলে সন্ত্রাসীরা তাকেও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় তারা আমার গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে। অতঃপর আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র, ধারালো চাপাতি, হকস্টিক মহড়া দিয়ে প্রান নাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করে। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় একটি মামলা প্রস্তুতি চলছে। এস.এ/জেসি


