রূপগঞ্জে গাউছিয়া ডুলুরদিয়া রাস্তার বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরমে
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৩, ০৪:১৬ পিএম
রূপগঞ্জ উপজেলা গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের গাউছিয়া মার্কেট থেকে ডুলুরদিয়া দুই কিলোঃ রাস্তাটি খানাখন্দে বেহাল দশা। যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে রাস্তাটি একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চলাচলে এলাকায় জন দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় গাউছিয়া মার্কেট থেকে ডুলুরদিয়া পর্যন্ত রাস্তায় খানাখন্দভরা। এই দুই কিলোমিটার রাস্তায় চলাচলরত সব ধরনের যানবাহন, চালক ও যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার। খবর নিয়ে জানা যায় এই রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় দশ হাজার লোক চলাচল করে থাকে। এই জনবহুল এলাকার চলাচলের একটাই রাস্তা। তাই রাস্তাটি পাকা করার জোর দাবী করেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাতের আধারে পাকারাস্তা কেটে অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেয়ার ফলে রাস্তার পানি জমে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ খানাখন্দের কারণে এ রাস্তায় রিক্সা, অটো রিক্সা, সিএনজি নিয়ে চলাফেরা করা সম্ভব হচ্ছেনা। এই রাস্তায় গেলে সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোফাজ্জল হোসেন খোকন বলেন, আমরা কয় বছর আগে রাস্তা পাকার কাজ করেছি। তবে এখানে অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীরা রাতের অন্ধকারে রাস্তা কেটে গ্যাস সংযোগ নিয়েছে। এবং সেই কারণে রাস্তার এ অবস্থা হয়েছে৷ আমাদের এ রাস্তার কাজ অতি সত্ত্বরই ধরা হবে। প্যানেল চেয়ারম্যান নাসির মিয়া বলেন রাস্তা পাকা করনের জন্য টেম্ডার হয়েছে অতিসত্বর কাজ শুরু হবে।
কালি এলাকার রিক্সা চালক শফিক বলেন, দুই তিন বছর আগে রাস্তা পাকা করা হয়েছিল। ঐ সময় আমরা অনেক আরামে চলাচল করেছি। এখন রাস্তার করুন অবস্থা, আমরা এখন রাস্তাটি পাকা করার দাবী জানাচ্ছি। কালি এলাকার নাজির মিয়া বলেন আমরা মন্ত্রীর এলাকার লোক তার পরও এ রাস্তা খানাখন্দভরা এটা মানা যায় না। আমরা এই রাস্তা অতিসত্তর পাকা করার দাবী করছি।
ডুলুরদিয়া এলাকার মমিন মোল্লা বলেন আমরা এ রাস্তা দিয়ে সব সময় চলাচল করি। রিক্সা বা অটোতে উঠলে খানাখন্দের ফলে ঝাঁকুনি খেয়ে শরীর একেবারে ব্যাথা হয়ে যায়৷ এলাকার কোন অসুস্থ রোগী নিয়ে তাড়িগড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায় না। হাইওয়ে সড়কে উঠতে হয় যেখানে রিক্সা, থ্রী- হুইলার উঠা একেবারেই নিষেধ। আমরা এখন কোথায় যাব৷ আমরা এর সমাধান চাই। এন.হুসেইন রনী /জেসি


